মঙ্গলবার ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের

চীনে কান্নার রেস্তোরাঁ!

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক :

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে এমন রেস্তোরাঁর সংখ্যা হাতে গোনা। সেগুলোতে আবার থাকে প্রচণ্ড ভিড়। ফলে অনেকেই সেখানে যেতে চান না। তবে ব্যতিক্রমও আছে। যেমন জিন ডিং জুয়ান নামের একটি রেস্তোরাঁ।

জিন ডিং জুয়ান রেস্তোরাঁটিকে বলা হয় ‘মধ্যবয়সী পুরুষদের শেষ আশ্রয়স্থল’। জীবনের ধকল সামলাতে সেখানে গিয়ে একাকী সময় কাটাতে পারেন এই পুরুষেরা। এমনকি অনেকে কান্নাকাটি করে মন হালকা করেও নেন। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের।

জিন ডিং জুয়ানের বেশির ভাগ ক্রেতাই মধ্যবয়সী পুরুষ। এমনই একজন ডাকি। নিজের প্রকৃত নাম প্রকাশ করেননি তিনি। ডাকি বলেন, রেস্তোরাঁটিতে পাঁচ বছর ধরে যাচ্ছেন তিনি। সেখানে এমন কিছু সুবিধা রয়েছে, যা শুধু মধ্যবয়সী পুরুষদেরই মনে ধরবে। এটি তাদের জন্য ‘দারুণ একটি জায়গা।

জিন ডিং জুয়ান রেস্তোরাঁটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকা ও কোলাহল মুক্ত হওয়ার সুযোগ নেন ডাকির মতোই আরেকজন। চাকরি বা পরিবার নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে থাকলে তিনি সেখানে গিয়ে সময় কাটান। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে ওই ব্যক্তি বলেন, আমি এখানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। আমাকে কোনো বাধা দেওয়া হয় না। বিভিন্ন ধরনের মানুষ নানা ধরনের খাবার খাচ্ছে, এটা দেখতে আমার খুব ভালো লাগে।

জিন ডিং জুয়ান রেস্তোরাঁর একজন ব্যবস্থাপক গুয়ো। জানালেন, তাদের রেস্তোরাঁর বেশির ভাগ ক্রেতা মধ্যবয়সী পুরুষ ও সন্ধ্যার পর সেখানে আসেন। তিনি বলেন, ক্রেতারা এক-দুজন বন্ধু নিয়ে এসে মদ্য পান করেন। অনেকে একাই আসেন। তারা পরস্পরের সঙ্গে আড্ডা দেন। কেউ কেউ আবার একাকী বসে কাঁদেন।

রেস্তোরাঁর আরেকজন কর্মী বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এই বয়সী পুরুষেরা অনেক চাপে থাকেন। তাঁরা যদি আমাদের রেস্তোরাঁয় এসে একটু ভালো অনুভব করেন, তাতে মনে হয়, আমরা কিছু অর্জন করতে পেরেছি।

রেস্তোরাঁটি এখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। এই নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। যেমন একজন বলেছেন, পুরুষেরাও মানুষ। মুক্তভাবে শ্বাস নেয়ার জন্য তাদেরও কিছুটা সময় ও জায়গা প্রয়োজন।

অপরজন মন্তব্য করেছেন, অনেক রাতে কোনো পুরুষ রেস্তোরাঁটিতে একা বসে থাকেন ও কাঁদেন। জীবনে নানামুখী চাপে তাঁরা এমনটা করেন। পরের দিন তাঁরা নিজেদের চাঙা করে নিয়ে আবার কাজে যোগ দেন।

তবে শুধু মধ্যবয়সী পুরুষদের জন্য এমন রেস্তোরাঁ থাকার বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না একজন নারী। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, বিষয়টা চমকপ্রদ। তবে মধ্যবয়সী নারীদের জন্য এমন জায়গা কোথায়? আমাদেরও বাচ্চা সামলাতে হয়। সন্ধ্যায় একটু বিনোদনের জন্য আমরা বাইরে যেতে পারি না।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১