বুধবার ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন

লক্ষ্মীপুরে কিস্তির টাকা চাওয়ায় হত্যা, সাতদিন পর মাটিচাপা মৃতদেহ উদ্ধার

আকাশবার্তা ডেস্ক :

লক্ষ্মীপুরে কিস্তির টাকা চাইতে গিয়ে হত্যার শিকার হন মো. ইউনুছ আলী (৫০) নামের এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার (৩১ আগষ্ট) সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ মজুপুর গ্রামের কালু হাজী সড়কের পাশে মাটিচাপা দেওয়া মৃতদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মো. হাসান মোস্তফা স্বপন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সোহেল রানা ও সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৪ আগষ্ট ইউনুছ হত্যার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সাতদিন পর মৃতদেহের সন্ধান পায় তারা। এঘটনায় ঘাতক মো. জাবেদ হোসেনকে (৩২) আটক করা হয়েছে।

নিহত ইউনুছের বাড়ি চাঁদপুর জেলায়। তিনি পরিবার নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের সমসেরাবাদ গ্রামের গণি হেডমাস্টার সড়কে বসবাস করতেন। তার বাবার নাম আব্দুল রশিদ মোল্যাহ।

আটককৃত জাবেদ একই ওয়ার্ডের কালু হাজি সড়কের মিঝি বাড়ির সফিকুর রহমানের ছেলে। সে পেশায় নির্মাণ শ্রমিক এবং চা দোকানী।

ইউনুছের স্ত্রী জানান, ২৪ আগষ্ট বিকেল প্রায় সাড়ে ৪টার দিকে তার স্বামী মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে যায়নি। পরদিন তিনি থানায় নিখোঁজ ডায়েরী করেন।

লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইমস এন্ড অপস) হাসান মোস্তফা বলেন, গত ২৪ আগষ্ট বিকেল থেকে ইউনুছ আলী নিখোঁজ রয়েছেন। পরদিন তার স্ত্রী সদর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী করে। সেই সূত্র ধরে আমরা ভিকটিমের সন্ধান শুরু করি। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা জানতে পারি ওই রাতে ভিকটিক কালু হাজী সড়কের বাসিন্দা জাবেদের কাছে আসে। এরপর থেকেই তার সন্ধান ছিল না। আমরা জাবেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। তখন জাবেদ তাকে হত্যা করে মৃতদেহটি মাটিতে পুঁতে রাখার বিষয়টি স্বীকার করে।

জানা যায়, ইউনুছ আলী ‘‘গ্রামীন বাংলা’’ নামের একটি মাল্টিপারপাসের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ঋণ দিত। সে নিজেই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতেন। জাবেদ তার কাছ থেকে দৈনিক আড়াইশ টাকা কিস্তি পরিশোধের শর্তে ২০ হাজার টাকা ঋণ নেয়। ঘটনার আগে সে কয়েকটি কিস্তি আটকে দেয়। ঘটনার রাতে ইউনুছ কিস্তির টাকা নিতে জাবেদের বাড়ির সামনে থাকা তার চা দোকানে যায়। এসময় তাদের দুইজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জাবেদ লাঠি দিয়ে ইউনুছের মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মৃত্যু হয়। পরে সে নিজেই ইউনুছের মৃতদেহ দোকানের পেছনে মাটিতে পুঁতে রাখে। ইউনুছের মোটরসাইকেল এবং মোবাইল ফোন পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেয় সে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইমস এন্ড অপস) হাসান মোস্তফা আরও বলেন, মৃতদেহটি মাটির নীচ থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় হত্যা মামলার প্র¯স্তুতি চলছে। ইউনুছের মোটরসাইকেলটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

 

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০