বৃহস্পতিবার ১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

আমাদের চিকিৎসকরা ভালো, তারপরও কোথায় যেন সংকট রয়েছে

স্বাস্থ্য ডেস্ক :

আমাদের দেশের চিকিৎসকরাও ভালো। তারপরও কোথায় যেন চিকিৎসার সংকট রয়েছে। এখানে স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালন খুব চ্যালেঞ্জিং। এই দায়িত্বটা সম্মিলিতভাবে সবাইকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মার ওপারের মানুষের জন্য বড় ও আধুনিক হাসপাতাল করার প্রস্তাব আছে। এই প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন হলে জানতে পারবেন। আমাদের বড় আধুনিক হাসপাতালের বড় প্রয়োজন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যথার্থ ব্যক্তিকে মূল্যায়ন করা বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা… এটা আমাদের দলের নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। আমার ধারণা তিনি তার যোগ্যতার প্রমাণ দেবেন। আমি মনে করি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় নিকট অতীতের ইতিহাস সুখকর নয়।

তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র আমদানি হয়ে প্যাকেটের মধ্যে পড়ে থাকে কিন্তু ব্যবহার হয় না। এই ইতিহাস আমাদের আছে।… আমার জীবনমরণ পরিস্থিতিতে ল্যাব থেকে এনে শেষ মুহূর্তে কাজে লাগানো হয়েছে। আমাদের হাসপাতাল আছে, চিকিৎসকরাও ভালো। তারপরেও কোথায় যেন সংকট রয়েছে। এখানে স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালন করা খুব চ্যালেঞ্জিং। এই দায়িত্বটা সম্মিলিতভাবে সবাইকে নিতে হবে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমি যখন অসুস্থ হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই তখন ডা. দেবী শেঠী আমাদের নেত্রীর অনুরোধে এসেছিলেন। তিনি এসে একটা সিদ্ধান্ত দিতে পেরেছিলেন। সিদ্ধান্তটা খুব জরুরি ছিল। সে অনুযায়ী আমাকে সিংগাপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। তিন চার মিনিট বেশি চলে গেলে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ছিল না। এই ডিসিশন নেওয়াটা ছিল খুব চ্যালেঞ্জিং।

‘আলী আহসান সাহেবকে যখন দায়িত্ব দেয়া হলো তখন তিনি দ্বিধায় ছিলেন বলে পরে শুনেছি। কারণ যদি কোনো অঘটন ঘটে যায় তাহলে তাকে এন্টি আওয়ামী লীগ বানিয়ে ছাড়বে। কারণ তিনি সেভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত না। এসব সমস্যা আমাদের দেশে আছে। তবে তখন অপারেশন করাটা যে সঠিক ডা. দেবী শেঠী সেটা স্বীকৃতি দিয়ে গেছেন।’

আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান আ ফ ম রুহুল হকের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এবং দলটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ও উপ-কমিটির সদস্য সচিব ডা. রোকেয়া সুলতানা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০