মঙ্গলবার ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের

রাখাইনে মিয়ানমার সেনাদের তাণ্ডব, নিহত ৫১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সপ্তাহজুড়ে অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী। এতে কমপক্ষে ৫১ জন নিহত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো একথা জানিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গ্রামটিতে আড়াইদিন ত্রাসের মুখে ছিলেন বাসিন্দারা। লোকজনকে চোখ বেঁধে মারধর করেছে সেনারা। গায়ে গরম পেট্রোল ঢেলেছে এবং গ্রামের বেশ কয়েকজনকে মূত্র পান করতেও বাধ্য করেছে। খবর বিবিসির।

আরাকান আর্মির (এএ) সমর্থকদের খুঁজতে গ্রামটিতে অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী। মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সবচেয়ে লড়াকু বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর অন্যতম হয়ে উঠেছে এএ।

১৫ থেকে ৭০ বছর বয়সী ৫১ জন বেসামরিক নাগরিককে সহিংস নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছে সেনাবাহিনী। মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত বেসামরিক সরকারের প্রতিনিধিত্বকারী ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (এনইউজি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

তবে আরাকান আর্মি বলছে, নিহতের সংখ্যা ৭০ জনের বেশি বলে তাদের ধারণা। মিয়ানমার জান্তা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এক নারী গণমাধ্যমকে বলেন, তারা (সেনা) পুরুষদের জিজ্ঞাসা করছিল যে, আরাকান আর্মির সদস্যরা গ্রামে আছে কি-না। লোকজন প্রশ্নের উত্তরে যদি বলেছে যে, তারা জানে না বা আরাকান আর্মির সদস্যরা গ্রামে আছে বা নেই- তারা যে উত্তরই দিয়েছে তাতেই সেনারা তাদেরকে মারধর করেছে।

মাত্র ছয় মাসেই রাখাইন রাজ্যের বেশিরভাগ এলাকা দখল করেছে আরাকান আর্মি। তারা সেনাবাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও আরকান আর্মির (এএ) মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ছিল। গত বছর সেই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায় এএ। দেশটির অন্যান্য অংশে জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যোগ দেয় তারা।

এভাবে একজোট হয়ে তারা হামলা চালাচ্ছে ২০২১ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে। এতে ক্রমশই কোণঠাসা হয়ে পড়ছে জান্তা বাহিনী।

রাখাইনের এক নারী বলেন, আমার স্বামীকে জোর করে একটি সাঁজোয়া যানে তোলা হয়। আমি নিজের চোখে সেটি দেখেছি। আমার সন্তানকে আলাদা করে দেয়া হয়েছে। আমি জানি না, সে এখন কোথায় আছে। আমি জানি না, আমার স্বামী-সন্তান বেঁচে আছে কি না।

গ্রামটিতে এক হাজারের কিছু বেশি পরিবারের বাস। তাদের সবাইকে দুইদিন খোলা আকাশের নিচে রোদের মধ্যে বেঁধে রাখা হয়।

গরমে পিপাসার্ত লোকজন পানি পান করতে চাইলে সেনারা তাদেরকে পানির বোতলে করে মূত্র পান করিয়েছে। চোখ বেঁধে কয়েকজনকে সাঁজোয়া যানে করে নিয়েও যাওয়া হয়। এর মধ্যে অনেকেই এখনও ফিরেননি।

বুধবার শতাধিক সেনা রাখাইনের রাজধানী সিত্তুয়ের বাইরে অবস্থিত ব্যায়াই ফিউ গ্রামে অভিযান চালায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১