রবিবার ৩১শে মে, ২০২৬ ইং ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা

রাখাইনে মিয়ানমার সেনাদের তাণ্ডব, নিহত ৫১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সপ্তাহজুড়ে অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী। এতে কমপক্ষে ৫১ জন নিহত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো একথা জানিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গ্রামটিতে আড়াইদিন ত্রাসের মুখে ছিলেন বাসিন্দারা। লোকজনকে চোখ বেঁধে মারধর করেছে সেনারা। গায়ে গরম পেট্রোল ঢেলেছে এবং গ্রামের বেশ কয়েকজনকে মূত্র পান করতেও বাধ্য করেছে। খবর বিবিসির।

আরাকান আর্মির (এএ) সমর্থকদের খুঁজতে গ্রামটিতে অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী। মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সবচেয়ে লড়াকু বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর অন্যতম হয়ে উঠেছে এএ।

১৫ থেকে ৭০ বছর বয়সী ৫১ জন বেসামরিক নাগরিককে সহিংস নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছে সেনাবাহিনী। মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত বেসামরিক সরকারের প্রতিনিধিত্বকারী ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (এনইউজি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

তবে আরাকান আর্মি বলছে, নিহতের সংখ্যা ৭০ জনের বেশি বলে তাদের ধারণা। মিয়ানমার জান্তা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এক নারী গণমাধ্যমকে বলেন, তারা (সেনা) পুরুষদের জিজ্ঞাসা করছিল যে, আরাকান আর্মির সদস্যরা গ্রামে আছে কি-না। লোকজন প্রশ্নের উত্তরে যদি বলেছে যে, তারা জানে না বা আরাকান আর্মির সদস্যরা গ্রামে আছে বা নেই- তারা যে উত্তরই দিয়েছে তাতেই সেনারা তাদেরকে মারধর করেছে।

মাত্র ছয় মাসেই রাখাইন রাজ্যের বেশিরভাগ এলাকা দখল করেছে আরাকান আর্মি। তারা সেনাবাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও আরকান আর্মির (এএ) মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ছিল। গত বছর সেই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায় এএ। দেশটির অন্যান্য অংশে জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যোগ দেয় তারা।

এভাবে একজোট হয়ে তারা হামলা চালাচ্ছে ২০২১ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে। এতে ক্রমশই কোণঠাসা হয়ে পড়ছে জান্তা বাহিনী।

রাখাইনের এক নারী বলেন, আমার স্বামীকে জোর করে একটি সাঁজোয়া যানে তোলা হয়। আমি নিজের চোখে সেটি দেখেছি। আমার সন্তানকে আলাদা করে দেয়া হয়েছে। আমি জানি না, সে এখন কোথায় আছে। আমি জানি না, আমার স্বামী-সন্তান বেঁচে আছে কি না।

গ্রামটিতে এক হাজারের কিছু বেশি পরিবারের বাস। তাদের সবাইকে দুইদিন খোলা আকাশের নিচে রোদের মধ্যে বেঁধে রাখা হয়।

গরমে পিপাসার্ত লোকজন পানি পান করতে চাইলে সেনারা তাদেরকে পানির বোতলে করে মূত্র পান করিয়েছে। চোখ বেঁধে কয়েকজনকে সাঁজোয়া যানে করে নিয়েও যাওয়া হয়। এর মধ্যে অনেকেই এখনও ফিরেননি।

বুধবার শতাধিক সেনা রাখাইনের রাজধানী সিত্তুয়ের বাইরে অবস্থিত ব্যায়াই ফিউ গ্রামে অভিযান চালায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মে ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১