মঙ্গলবার ৯ই জুন, ২০২৬ ইং ২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন

বিশ্বব্যাংকের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বদমাইশ-অপদার্থ : অর্থমন্ত্রী

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক :

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বিশ্বব্যাংকের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট রবার্ট জোয়েলিককে অসম্ভব বাজে লোক, অত্যন্ত অপদার্থ ও বদমাইশ। তার ষড়যন্ত্রের কারণেই পদ্মা সেতুর অর্থায়ন আটকে যায়। যা পরবর্তীতে প্রমাণিত হয়েছে।

সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০১৮ এর সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতাদের সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান ও প্রাক্তন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা চারজন এখানে আছি। আমাদের দায়িত্বের সময় বিশ্ব ব্যাংকের সভাপতি ছিল রবার্ট জোয়েলিক। সে অসম্ভব বাজে লোক ও অত্যন্ত অপদার্থ। তার চাকরির শেষ সময়ে সে বাংলাদেশের বিষয়ে বলল, কোনো এক কনসালট্যান্ট নিয়োগের বিষয়ে আমরা চক্রান্ত করছি। ঘুষ নেয়ার জন্য চক্রান্তের অজুহাত তুলে সে পদ্মাসেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের যে ঋণ বরাদ্দ ছিল তা বাতিল করল। সে তার চাকরির শেষ দিনে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ করা অর্থ বাতিল করে দিয়ে চলে গেল।

তিনি আরো বলেন, আমরা অনেক চেষ্টা করেছি, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সমাঝোতা করার জন্য। কারণ, বিশ্বব্যাংক আমাদের সবচেয়ে বড় দাতা সংস্থা। আমাদের জন্মলগ্ন থেকেই বিশ্ব ব্যাংকের সাহায্য পেতাম। আমাদের জন্মলগ্নে উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন দুটি বাজেটের সম্পূর্ণ অর্থ বিশ্ব ব্যাংক থেকে আসত। বরং বাজেটের অর্থের চেয়ে বেশিও আসত। আগে জাতীয় আয়ের ৯ থেকে ১০ শতাংশ বিদেশি সাহায্য আসত। এখন এটা মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ হলেই আমাদের জন্য যথেষ্ট। আমরা এখন বিশ্ব ব্যাংককে দাতা বলতে চাই না। তারাও এটা পছন্দ করে না। এখন আমরা তাদেরকে ডেভেলপমেন্ট পার্টনার বলতে পারি।

পদ্মাসেতু প্রসঙ্গে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, আমরা আজকে এখানে যে চারজন উপস্থিত আছি চারজনই বিশ্ব ব্যাংকের সাবেক প্রেসিডেন্ট রবার্ট জোয়েলিকের চক্রান্তে পড়ে যাই। আর প্রকাশ্যভাবে আমরা পাঁচজন চিহ্নিত হই। প্রথম জন হলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দ্বিতীয় জন আমি, তৃতীয় জন তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, চতুর্থ জন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা মশিউর রহমান ও পঞ্চম জন হলেন এনবিআরের বর্তমান চেয়ারম্যান ও তৎকালীন যোগাযোগ সচিব মোশাররফ হোসেন ভুইয়া।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংককে সন্তুষ্ট করার জন্য অনেক কিছু করেছি। মশিউর রহমান পদত্যাগ করেন। একমাত্র প্রধানমন্ত্রী আর আমি বিচলিত হই নাই। আমরা সে যুদ্ধটা চালিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী প্রথম দিনই বলে দিলেন, আমাদের এ ঋণ চাই না। কারণ, তারা আমাদেরকে অসম্মান করেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমার চিন্তা ছিল এই অভিযোগটাকে অবশ্যই তুলে নিতে হবে। কারণ, এখানে ঘুষের জন্য ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলম। এ যুদ্ধটা আমরা অনেক দিন চালিয়েছি। অবশেষে নতুন বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট আসার পর সিদ্ধান্ত নিলেন পদ্মা সেতুর বাতিল অর্ডার প্রত্যাহার করা হবে। তারা আমাদের কাছে বিশ্ব ব্যাংকে অর্থায়নের জন্য নতুন প্রকল্প প্রস্তাব চায়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, তখন আমরা বললাম, আপনারা বিদায় নিতে পারেন। আপনাদের কাছ থেকে পদ্মা সেতুর প্রজেক্টটা নিজেরা নিয়ে নিলাম। আমরা ঠিক করলাম, পদ্মাসেতুর জন্য আমরা কারো কাছ থেকে সাহায্য নেব না। নিজেদের সামর্থ্যে এ প্রকল্পের কাজ করব। সময় লাগলে লাগুক। খুশির খবর হলো, পদ্মাসেতু এখন নিজেদের অর্থে বাস্তবায়ন হচ্ছে। আগামী ২০১৯ সালের মার্চ মাসে এটা উদ্বোধন হবে বলে আমার ধারণা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০