সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে বাজুসের নির্বাচনে চেয়ারম্যান সমীর, সেক্রেটারী পলাশ লক্ষ্মীপুরে বাজুসের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ চন্দ্রগঞ্জে ১২ মামলার পলাতক আসামি শাহাদাত গ্রেপ্তার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন

ইয়াবার রমরমা ব্যবসা দেওপাড়ায়

নিজস্ব প্রতিবেদক :


মানিক, পান মোবারক, জহির তিনজনে মিলেমিশে ভালোই জমিয়েছেন ইয়াবা বিক্রির রমরমা ব্যবসা। সন্ধ্যায় নামতেই সমতা সিনেমা হলের বিপরীতে দেওপাড়া গ্রামের ওইপথে মাদকসেবীদের আনাগোনা চোখে পড়ার মত। সুনসান রাতের নিরবতায় বেপরোয়া গতির মটরবাইক আর সিএনজির শব্দে অনেকেরই ঘুম ভাঙে এখানে। দেওপাড়া গ্রাম নামটির ওই অংশে বসবাসকারী অনেক ভদ্রলোক এমনিই পুরনো একটি অপবাদের দগদগে ঘা’ বয়ে বেড়াচ্ছেন। তার উপর নতুন করে ইয়াবা ব্যবসার জন্য খ্যাতি অর্জন তাদের জন্য কতটা সুখকর তা প্রশ্নই রয়ে গেল।

প্রিয় পাঠক বলছি, লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রামের কথা। থানা শহরের কোলঘেঁষে দেওপাড়া গ্রামের অবস্থান। এখানে হাজারো ভালো মানুষের মাঝে গুটি কয়েক খারাপ লোকেরও বসবাস রয়েছে। দেওপাড়া গ্রামের মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে মানিক, মৃত নুরুজ্জামানের ছেলে জহির, মৃত ছিদ্দিক উল্যার ছেলে পান মোবারক। তারা ৩ জনই এখন দেওপাড়া গ্রামে মরণঘাতি ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। মানিক সম্প্রতি নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী নাছির বাহিনীর প্রধান নাছিরের ডানহাত হিসাবে কাজ করত। জনশ্রুতি রয়েছে, নাছিরের মৃত্যুর পর তার অবৈধ অস্ত্রভান্ডার এখন মানিকের নিয়ন্ত্রণে। এই অবৈধ অস্ত্রের কারণে ওই এলাকায় কেউ মানিকের বিরুদ্ধে মুখ খোলেনা।

মানিক বেশ কয়েকবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়ে জেল খেটেছে। জেলখাটা তার জন্য শ্বশুর বাড়িতে মাঝে মধ্যে বেড়াতে যাওয়ার মত হওয়ায় সে এখন গ্রেপ্তার হওয়ার ভয় থোড়াই কেয়ার করে। দুর্ধর্ষ প্রকৃতির মানিক চিপচিপে লিকলিকে শরীরে বন্দুকও নাকী ভালো চালাতে পারে। দেওপাড়ার ওই সমাজে ইয়াবা বিক্রির সাথে এখন অনেক দরিদ্র পরিবারের নারী-শিশুরাও জড়িয়ে পড়েছে। ভ্রাম্যমাণ ইয়াবা বিক্রি করছে এসব নারী ও শিশুরা। শিশুদেরকে মাদক বিক্রির সাথে সম্পৃক্ত করা একটি সমাজকে কতটা গুণে ধরার মত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে তা, বলার অপেক্ষা রাখেনা।

তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে মানিক, জহির, পান মোবারক তাদের মাদক ব্যবসার নৈপথ্যে রাজনৈতিক শেল্টার রয়েছে। মূলত রাজনৈতিক শেল্টারের খোঁজ পাওয়া না গেলে বা তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা না গেলে ইয়াবাসহ এসব এলাকায় মাদক ব্যবসা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা সম্ভব নয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চন্দ্রগঞ্জের এপাড়ে দেওপাড়া, দক্ষিণপাড়ে ভবভদ্রী, উত্তরপূর্ব পাড়ে কোয়ারিয়া এই তিনটি স্পটে মাদক ব্যবসা জমজমাট।
অভিজ্ঞ মহল বলেছেন, নোয়াখালী জেলা পুলিশের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে এবং র‌্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালাতে হবে।

এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগি এলাকাবাসী।

এএইচ/আকাশবার্তা

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930