বুধবার ৩রা জুন, ২০২৬ ইং ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

সর্বনাশা মাদকের ছোবলে শিশুরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক :


সারাদেশের বিভিন্ন গ্রামগুলোতে যুবক ও বয়স্কদের পাশাপাশি এখন ছোট ছোট শিশুরাও সর্বনাশা মাদকের ছোঁবলে আসক্ত হয়ে পড়ছে। সাধারণত নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেরা মাদকাসক্ত বেশি। এদের বেশীরভাগ ১০ থেকে ১৫/১৬ বছরের উঠতি বয়সের কিশোর বা তরুণ। সূত্রে জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলাতেও এ মরণ নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে অনেকে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও বাদ পরছেনা সর্বনাশা মাদকের কবল হতে। মদ, গাঁজা, ইয়াবা, হেরোইন, ফেন্সিডিল, পিন, পেথেড্রিন ইঞ্জেকসন, জাকিসহ নানা ধরণের নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও পথশিশুরা। এছাড়া ফার্মেসীর এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী বেশী অর্থের লোভে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপসন ছাড়া উঠতি বয়সের তরুণদের কাছে ঘুমের ওষুধ বিক্রি করছেন হর হামেসা। তরুণেরা বিভিন্ন ব্যান্ডের ঠান্ডার সিরাপের সাথে ঘুমের বড়ি মিশিয়ে নেশা তৈরি করে সেবন করছে। ফলে অন্ধকারে পতিত হচ্ছে তাদের সুন্দর জীবন। এছাড়াও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে কোমল পানীয় বোতলে চোলাই মদ ও ফেন্সিডিল পান করছেন। এ নিয়ে গ্রাম এলাকার সাধারণ মানুষ চরম উদ্বিঘ্ন হয়ে পড়ছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলায় মাদক বিক্রি ও সরবরাহকারীর বড় একটি চক্র গড়ে উঠেছে। মাদক ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এলাকায় তাদের নিজস্ব এজেন্ট দিয়ে নানা প্রকার মাদক দ্রব্য বিক্রি ও সরবরাহ করে থাকেন। থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ইংরেজি ২০১৭ সালের ৭ জুলাই উপজেলার বীরতারা থেকে সাহেদ রুবেল ও বিল্লালকে ২৬ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবা, ১৫ জুলাই কয়কির্ত্তন থেকে ফারুক হাওলাদারকে ৬০০ পিস ইয়াবা, গত ৯ ফেব্রুয়ারি কামারগাঁও থেকে বিল্লাল শেখকে ৮ গ্রাম হেরোইন, ২৪ সেপ্টেম্বর ভাগ্যকুল থেকে সাদ্দাম ও শহিদুল ইসলামকে ১৬০ লিটার মদসহ গ্রেফতার করেন থানা পুলিশ।

গত বছর ১ অক্টোবর কামারগাঁও থেকে মিলন খানকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা, গত ১ জানুয়ারি তেজগাঁও থেকে আরিফুল ইসলামকে ৭২০ পিস ইয়াবা, ১২ জানুয়ারি কামারগাঁও হতে শেখ সোহেলকে ১০৭ পিস, ৩০ জানুয়ারি আলী হোসেনকে পানিয়া গ্রাম থেকে ৫ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণ পাইকসা গ্রাম থেকে সবুজ নামে এক জনকে ৫০৪ ক্যান বিয়ার ও ৩ বোতল বিদেশি মদ, ১২ জুন উত্তর কামারগাঁও থেকে আজিবর ও মনির হোসেনকে ৬৬৫ বোতল ফেন্সিডিল ও ৮ পিস ইয়াবা, ২ এপ্রিল রুদ্রপাড়া থেকে ইউসুফকে ৭০৫ পিস ইয়াবা, ৯ মে পূর্ববাঘড়া থেকে রনি শাহকে ২৬ গ্রাম হেরোইন ও ২১৫ পিস গাঁজা, ৯ সেপ্টেম্বর মত্তগ্রাম থেকে আবুবক্কর ও চাঁন মিয়াকে ১ হাজার ১৫৫ পিস ইয়াবা, ২৯ সেপ্টেম্বর বালাশুর থেকে ৬৫৭ পিস ইয়াবাসহ আটক করে র‌্যাব-১১।

এছাড়া শ্যামসিদ্ধি সাইদ দেওয়ানের বাড়ি হতে মাদক সম্রাজ্ঞী নামে পরিচিত সাহিদা আক্তার স্বপ্না ও সোহেল নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ৩৫ পিস ইয়াবা, সেলামতি এলাকা থেকে মাসুদ নামে এক যুবককে ১২৬ পিস ইয়াবা ও ১টি ধারালো ছুরিসহ আটক করে পুলিশ। একই গ্রামের পারভেজ মাঝি সাকাকে ১৯০ পিস, কামারগাঁও এলাকা থেকে সাইফুল ও আমির হোসেনকে ২৭৬ পিস ইয়াবা ও ষোলঘরের সুমন ওরফে মোস্তফা ও জহিরুলকে ২৮৮ ক্যান বিদেশি বিয়ার, শ্রীনগর ব্রজের পাড়া থেকে ধর্ম মন্ডলসহ ৩ জনকে মাদক দ্রব্যসহ আটক করে থানা পুলিশ।

এছাড়া বিভিন্ন সময় ও তারিখে একাধিক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে থানা পুলিশ। এছাড়াও কয়কির্ত্তন থেকে ওমর ফারুক নামে এক যুবককে ৬০০ পিস ইয়াবা, তন্তর ইউনিয়নে পানিয়া গ্রাম থেকে ফুল মালা ও ওমর ফারুক নামে ২ জনকে ৫০৫ পিস ইয়াবা, ষোলঘর বাসষ্ট্যান্ড মসজিদ মার্কেট এলাকা থেকে মহিলা মাদক ব্যবসায়ী মিতু আক্তার কমলাকে ১ হাজার ৫ পিস ইয়াবা, হাসাড়া মুন্সীর দিঘীরপাড় স্কুল গেইট এলাকা থেকে শিল্পী বেগম ও তার ছেলে বিপ্লবকে ২৮৫ পিস ইয়াবাসহ আটক করে র‌্যাব-১১।

তথ্যানুসন্ধানে আরো জানা যায়, বিশেষ করে শ্রীনগর ব্রজের পাড়া শ্মশান খোলার পাশে আক্তার মিয়া ও ধর্ম মন্ডল বিভিন্ন প্রকার মাদক দ্রব্য বিক্রি ও সরবরাহ করে থাকে। মথুরাপাড়া কলেজ গেট এলাকায় লুঙ্গি জাকির, দেউলভোগ এলাকায় কুদ্দুস, সেলিম, পশ্চিম বেজগাঁও এলাকায় কালা উজ্জল, ডিস সুমন বিভিন্ন প্রকার মাদক বিক্রি ও সরবরাহ করে থাকে। জশুরগাঁও বটতলা কয়কির্ত্তন কালি খোলার পাশে বিভিন্ন প্রকার মাদক সেবনকারীদের আড্ডা দেখা যায়। ষোলঘর মাদক বিক্রয়ের মূল হোতা ষোলঘর আম্বলি পাড়া গ্রামের মতি সুমন, ষোলঘর বাজারের পূর্বে ধানের মিলের পাশে বালুর মাঠ, কাজীবাড়ি ইতালি বিল্ডিংয়ের পাশে, ভৈরব বাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে, গোল্ডেন ও মিলিনিয়াম সিটি পাশে রাস্তার শেষ মাথায় ষোলঘর হাইস্কুলের পশ্চিম পাশের্^ পুলিশের ছেলে আজাদের বাড়িতে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের মাদক দ্রব্য সেবন ও ক্রয় বিক্রয় করতে হয়ে থাকে।

একাধিক মাদক মামলার আসামি ষোলঘর গ্রামের স্বপন অভিনব কায়দায় নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করে আসছে। ষোলঘর ঢাকার চক আবুর ক্ষেত বালুর মাঠ ও গুপ্তের নগর বালুর নামক এলাকায় দিন-রাত হর পাড়ার শাহীন নেশা জাতীয় দ্রব্য বিক্রি করে থাকে। এছাড়াও ষোলঘর এ্যাডভোকেটের বাগান নামক স্থানে প্রায় সময়ই মাদক খোরদের আড্ডা করতে দেখা যায়।

শ্যামসিদ্দির সুলতান ওরফে টকিং সুলতান, সুলতানের ভাগিনা নিশন, গাদিঘাটের অটো শাহিন, দেলোয়ার হোসেন দেলা, পাটাভোগ লোহাড় ব্রিজের গোড়ায়, আটপাড়া কোল্ডষ্টোরের পাশে, ও ছনবাড়ি সিংপাড়া সড়কের টেম্পু চালক কেহেরমান ও প্লাস্টিক জাকির মাদক বিক্রির মূল হোতা। বীরতারা সাতগাঁও হতে চারগাঁও গ্রামে সড়কে সালাউদ্দিন, ডালিম অনেক দিন ধরে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী হিসেবে বিভিন্ন প্রকার মাদক দ্রব্য বিক্রি করে আসছে। কোলাপাড়ার ব্রাহ্মণ পাইকশার বাদল বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য বিক্রি ও সরবরাহ করে থাকেন।

কাদুরগাঁও মোড় ও কবর স্থানের পাশে, কোলাপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন, দোগাছি বিভিন্ন কাঁচা সড়কের পাশে। দক্ষিণ পাইকসা ক্লাব ও ব্রিজ সংলগ্ন, কান্দিপাড়া কবরস্থানের পাশে, বালাশুর বৌ-বাজার, জগ্নাথপট্রি পাকা ব্রিজ, কামারগাঁও মোকার দোকান, কেদারপুর বেথুয়া বেরিবাঁধ সন্ধ্যার পর হতে গভীর রাত পর্যন্ত চলে নেশা খোরদের আড্ডা। গোয়ালী মান্দ্রা বেদে বহরে দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি হয়ে আসছে। মধ্য কামারগাঁও কবর স্থানের পাশে দুপুরের পর হতে গভীর রাত পর্যন্ত চলে নেশা খোরদের আড্ডা। এই গ্রামের আমির হোসেন ও মনির হোসেন অনেক দিন ধরে মাদক দ্রব্য বিক্রি করে আসছে। বাঘড়া কাদির কান্দা ছবদর মাদবরের বাড়ির পাশে মিনু, বেদেনা, ওহাব ও ইউনুছ গাঁজা, ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক বিক্রি ও সরবরাহ করে থাকে।

এছাড়া বাঘড়া সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুব আলীর বাড়ির উত্তর পাশে, তালুকদার বাড়ি ধানের মিলের পাশে মাদক সেবন ও বিক্রি হয়ে থাকে। প্রাণীমন্ডল হরেনখার বাড়ির উত্তর পাশে পুকুরের পারে চলে মাদকের আড্ডা। সেলামতি গ্রামের মাসুম অনেক দিন ধরে মাদক বিক্রি করে আসছে। কবুতরখোলা প্রাথমিক বিদ্যায়ের পাশে প্রায় সময় মাদক সেবনকারীদের মাদক সেবন করতে দেখা যায়। এছাড়া মাইজপাড়ার বাবু বাড়ির জিতেন দাস, কালু দাস ও লৌহজং ও শ্রীনগর থানার মাদক মামলার আসামি সোহাগ দাস বর্তমানে মাইজপাড়া স্বর্ণের কারিগরের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে মাইজপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় মদ, গাজা, ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক দ্রব্য বিক্রির কথা এলাকার কারো অজানা নয়।

এছাড়াও মাইজপাড়া কামার বাড়ির আরিফ শেখ মাকলু দীর্ঘদিন ধরে ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে নিজস্ব লোক দিয়ে মাইজপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ধরনের মাদক দ্রব্য বিক্রি করে আসছে। মাইজপাড়া চিতা খোলার পাশে, বাবু বাড়ি পুরাতন বিল্ডিংয়ের ভিতরে ও বিভিন্ন বাগানে দিন রাত উঠতি বয়সের তরুণ ও পথ শিশুদের মদ, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করতে দেখা যায়। এছাড়া মাইজপাড়া বাজার মসজিদের পাশে প্রাণকৃষ্ণের স্বর্ণের দোকানে প্রায় সময়ই গভীর রাত পর্যন্ত মদ ও ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক দ্রব্য সেবন করে আসছে উঠতি বয়সের তরুণেরা। বালশুর ঘোষ পাড়ার মিলন গাঁজা, ইয়াবা সেবন ও বিক্রি করে আসছে অনেক দিন ধরে।

ভাগ্যকুল বাজারে দক্ষিণ পাশে বাড়ির ভিতর শাহ-আলম গাঁজা ও বিভিন্ন প্রকার মাদক বিক্রি করে থাকেন। হাসাড়া আলম গাজীর দরগার পাশে বাবুলা মোল্লা, জাহাঙ্গাীর মোল্লা, আউয়াল মুন্সি, লস্করপুর টেকপাড়ার আরজ আলী, আলমপুর দক্ষিণ পারের কেটা পলাশ, আলমপুর উত্তর পারের নাছির, মাসুদ, কালু। এছাড়া কিছু ভ্রাম্যমাণ মাদক বিক্রেতা রয়েছে। তারা বিভিন্ন কৌশলে নিদিষ্ট সময় মাদক সেবনকারীকে মাদক পৌঁছে দেয়। বেশ কিছু মাদক বিক্রেতা রয়েছে তারা মাদক সেবনকারীর সাথে মোবাইলে আলাপ-চারিতার পর মটরসাইকেল করে সেবনকারীর চাহিদা অনুযায়ি মাদক নিদিষ্ট স্থানে পৌছে দেয়। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অনুসন্ধান করে আরো জানা-যায়, মাদক বিক্রি এবং সেবনকারীদের নাম উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামের মানুষ জানলেও মাদক ব্যবসায়ীদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেনা।

এছাড়াও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসৎ কর্মকর্তার ছত্রছায়ার কিছু মাদক বিক্রেতা সুবিধা পাচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কিছু উঠতি বয়সের তরুণ ও শিক্ষার্থী কোন না কোন ভাবে সর্বনাশা নেশায় জড়িয়ে পরছে। উঠতি বয়সের তরুণেরা বিভিন্ন ধরনের মাদক দ্রব্য সেবন করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়িয়ে থেকে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে থাকে। অভিভাবকেরা তাদের সন্তানের ভবিষৎ নিয়ে দুচিন্তায় থাকছেন সারাক্ষণ। সর্বনাশা মাদক দ্রব্য বিক্রি ও সেবন রোধে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও শ্রীনগর সার্কেল কাজী মাকসুদা লিমা বলেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি প্রতিটি এলাকার সুশিল সমাজের ব্যক্তিদের এগিয়ে আসতে হবে।

শ্রীনগর থানা অফিসার ইনচার্জ এস এম আলমগীর হোসেন এর কাছে মাদক বিক্রি ও সেবন রোধে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদক দ্রব্য বিক্রি ও সেবন রোধে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। খুব শীঘ্রই মাদক প্রতিরোধে প্রতিটি এলাকায় সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মাদক বিস্তার ও সেবন রোধে অতিসত্তর আইনশৃঙ্খলা বাহীনির আরো কঠোর নজরদারী ও হস্তক্ষেপ কামনা করছেন উপজেলার প্রতিটি সচেতন নাগরিকবৃন্দ।

সূত্র : এএইচ/আমার সংবাদ

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০