এক্সক্লুসিভ ডেস্ক :
এরপরই অভিযুক্তরা স্কুটার থেকে জোর করে তাঁকে নামিয়ে স্কার্ট ধরে টানে আর বলে, ‘দেখাও তোমার স্কার্টের নীচে কী আছে’। এরপর কোনও ক্রমে সেখান থেকে পালিয়ে সম্মান রক্ষা করেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় গোটা ঘটনা নিয়ে টুইট করেন তিনি। লেখেন, ‘আমার শরীরের ক্ষত সেরে যাবে। কিন্তু আমার মনে যে ক্ষত রয়েছে তা কোনও দিন শুকোবে না।’
ওই তরুণী একজন মডেল এবং অভিনেত্রী। তিনি আরও লেখেন, ‘শুধুমাত্র স্কার্ট পরার জন্য হেনস্থা হতে হবে কোনও দিন ভাবিনি। আমি কী পরব তা সম্পূর্ণ আমার অধিকার। তার জন্য হেনস্থা করার অধিকার কারও নেই।’ রাস্তায় আহত অবস্থায় পড়ে থাকার সময় যে ব্যক্তি তাঁকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন, তিনিও স্কার্ট পরাকেই দোষারোপ করেন। সে ঘটনা তাঁকে আরও বেশি কষ্ট দিয়েছিল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার পর থেকে তাঁর টুইট কয়েক শো বার রি-টুইট করা হয়। ইন্দোর পুলিশের ডিআইজি হরিনারায়ণ চারি মিশ্র টুইট করে তাঁকে জবাবও দেন এবং সমস্ত রকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। এছাড়াও বহু মানুষ তাঁর পাশে দাঁড়ান।
তরুণী পরে একটি টুইটে তাঁদের ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, ‘আমি সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি যাঁরা আমার পাশে দাড়িয়েছেন। আমি খুবই সাধারণ একটি মেয়ে। আমি চেয়েছিলাম আমার ঘটনা যেন সকলে জানতে পারেন। শুধুমাত্র আমার জন্য নয়, সেই সমস্ত মেয়েদের জন্য যাঁরা নিজের হয়ে কথা বলতে, প্রতিবাদ করতে ভয় পান।