নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ এখন শুধু একটি বাজার নয়, এটি এখন থানা শহর। এখানে একটু বৃষ্টি হলেই থানা রোডে হাঁটু পরিমাণ পানি জমে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে আইন-শৃঙ্খলায় নিয়োজিত পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের থানা থেকে যাতায়াতে মারাত্মকভাবে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে বাজারে আগত ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শুক্রবার বিকাল ৩টা থেকে টানা বৃষ্টি শুরু হলে চন্দ্রগঞ্জ থানা রোডে হাঁটু পরিমাণ পানি জমে যায়।
পানি নিস্কাশনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে বাজার কমিটির উদাসীনতায় খোদ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি/তদন্ত জাফর আহম্মেদ নিজেও।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভুক্তভোগিরা জানান, বৃষ্টির পানি নামার জন্য যে ড্রেন আছে, তাতে পানি সরছে না। সরু এই ড্রেন ভেঙে দ্রুত পানি নিস্কাশনের জন্য বড় পরিসরে ড্রেন নির্মাণ করতে হবে। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করতে হলে ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এখন জরুরী হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে কেউ কেউ পানি না নামার জন্য ব্যবসায়ীদের দুষছেন। তারা বলেন, দোকান এবং বাসাবাড়ির অপসারণকৃত বর্জ্য সঠিক জায়গায় না ফেলে ড্রেনে ফেলার কারণে পানি আটকে যায়। এতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। অপরদিকে বাসাবাড়ির বর্জ্য বাজারের সরকারি পুকুরে ফেলে পুকুরের পানি নষ্ট করার অভিযোগও রয়েছে দীর্ঘদিন থেকে।
এ ব্যাপারে চন্দ্রগঞ্জ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওঃ মো. আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে যোগাযোগ করে ড্রেনের কাজ শুরু করবো।
তবে চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুল বলেছেন, ড্রেনের উন্নয়নে আমি অনেক কাজ করেছি। এখন নির্বাচিত বাজার কমিটি আছে। এসব কাজ এখন তাদের দায়িত্ব।
এএইচ/এবি