সর্বশেষ:
শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া
প্রতীকি ছবি

বড় ভাইদের শেল্টারে উঠতি সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া

আকাশবার্তা ডেস্ক : 


উঠতি বয়সী সন্ত্রাসী আর বখাটেদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সারাদেশের মানুষ। ছিঁচকে চুরি, মাদক ব্যবসা, গলিতে গলিতে নেশার আড্ডা, স্কুলের মোড়ে দাঁড়িয়ে তরুণীদের ইভটিজিং করাই এদের কাজ। চায়ের দোকান কিংবা হোটেল, রেস্তোরাঁ থেকে ফাও বা বাকী খাওয়া, পান-সিগারেটের দোকান থেকে জোর করে সিগারেট নেওয়া, ফুটপাতের দোকান থেকে জোর করে টাকা আদায় করাসহ চাঁদাবাজির বিস্তর অভিযোগ রয়েছে এদের বিরুদ্ধে। কেউ তাদের অপকর্মে বাধা দিলে উল্টো তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

এসব সন্ত্রাসীর শেল্টারদাতা তাদের স্থানীয় রাজনৈতিক বড় ভাইয়েরা। যারা সরকার দলীয় রাজনৈতিক দলের নেতা। ভয়ে এ ব্যাপারে কেউ মুখ খুলতে চান না। এসব সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে একাধিক ভুক্তভোগী বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে তারা নিজেদের নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।

স্কুলগামী সন্তান ও নিজেদের নিরাপত্তার কথা ভেবে থানা পুলিশেরও দ্বারস্থ হচ্ছেন না অনেকে। কারণ অভিযোগকারীর নাম প্রকাশ পেলে সন্ত্রাসীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটাতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এদের একটি অংশ আবার রাতে বিভিন্ন বাসা-বাড়ির কলাপসিবল গেইট ভেঙে মোটরসাইকেল চুরি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বা দোকানে চুরি-ডাকাতি করার অভিযোগও রয়েছে। মূলত দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এসব উঠতি সন্ত্রাসীরা ইয়াবাসহ মাদক সেবন করার জন্য বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। তবে বয়স কম হওয়ায় এসব উঠতি সন্ত্রাসীরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে তেমন একটা পড়েনা। কিন্তু এসব সন্ত্রাসীরা কত ভয়ঙ্কর তাদের কাজের ধরণ না দেখলে বোঝা যাবেনা। লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন উপজেলার বড় বড় বাজার কেন্দ্রীক এসব সন্ত্রাসীরা সবচেয়ে বেশি বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে। রাতভর নেশার আড্ডায় সময় কাটিয়ে ভোরে ঘুমায়। আবার দিনের ২টা-৩টায় ঘুম থেকে উঠে ফাও বা বাকী খাওয়ার জন্য বড় হোটেল-রেঁস্তোরায় গিয়ে বাড়াবাড়ি করে। এদের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা না নিলে এরাই একদিন শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় নাম লেখাবে।

এদের অপরাধের ধরণ, স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে শীষ দেওয়া, কটূক্তি করা, অশোভন আচরণ এবং প্রেমের প্রস্তাব দেওয়া বা তাদের অভিভাবকদের কাছে চাঁদা দাবি করা এসব কাজ। একাধিক ছাত্রী বিষয়টি তাদের অভিভাবকদের অবহিত করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, এসব সন্ত্রাসীরা মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন ফ্ল্যাট বাসায় হানা দিয়ে লুটপাট করে। বিশেষ করে যারা ভাড়া বাসায় থাকেন তাদের ওপর অত্যাচার করেন। প্রতিবাদ করলে, ওই বাসা কিংবা ফ্ল্যাটে অনৈতিক ব্যবসা চলে বলে কুৎসা রটিয়ে দেয়। একাধিক বাসিন্দা বলেছেন, মোড়ে মোড়ে এসব সন্ত্রাসীর অবস্থানের কারণে কোনো মেহমান এলেও আতঙ্কে থাকতে হয়। কারণ ওইসব সন্ত্রাসীদের হাতে যদি কারো নাজেহাল হতে হয় এই ভেবে। উটকো ঝামেলায় জড়াতে চান না বলে থানা পুলিশের দ্বারস্থ হতে চান না কেউ।

ভুক্তভোগীরা বলেন, বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসা বন্ধ হলে এদের উৎপাত কমতো। কারণ মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এরা চাঁদাও নেয় আবার আবার ফ্র ‘ নেশাও করে। রাস্তায় অহেতুক আড্ডা মারা এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় নিতে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সবাই।

এএইচ/এবি

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930