আকাশবার্তা ডেস্ক :
সেতুটি চালু হওয়ায় প্রায় ১০ লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হলো। এই সেতুর মাধ্যমে ওই এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
স্থানীয় এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ আবদুল আজিজ জানান, সারাদেশের সঙ্গে ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী- এই তিন উপজেলাসহ সোনাহাট স্থলবন্দরের সড়কপথের দূরত্ব কমাতে ফুলবাড়ীর শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের রামপ্রসাদ ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের চর কুলাঘাট এলাকায় ধরলা নদীর ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এর জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ১৯৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ধরলা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। এরপর এর নির্মাণ কাজ ২০১৪ সালে শুরু হয়ে গত বছর ডিসেম্বরে শেষ হয়েছে।এর আগে ৬৪৮ মিটার দৈর্ঘের প্রথম ধরলা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এটিরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।