নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানায় দালালদের দোর্দন্ড প্রতাপ দেখা গেছে। মামলা না দিয়ে আটককৃত যানবাহন ছাড়িয়ে নিতে নিয়মিত তদবির বাণিজ্য করেন এসব দালালরা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, ভুক্তভোগি যানবাহন মালিক ও শ্রমিকরা।
গত ৮ জুন শুক্রবার বিকালে চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানায় গিয়ে দেখা যায়, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহজাহান খাঁনের পাশে বসেই কথা বলছেন আবাহনী নামে এক দালাল। এ সময় তাদের উভয়কে বেশ কিছুক্ষণ অন্তরঙ্গ খোশগল্প করতেও দেখা যায়।
ভুক্তভোগিরা জানিয়েছেন, প্রায় প্রতিদিন মহাসড়কে কাগজপত্র তল্লাশীর জন্য বিভিন্নস্থানে চেকপোষ্ট বসান চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ। তল্লাশীকালে ফিটনেসবিহীন ও কাগজপত্রবিহীন যানবাহন আটক করে মামলা না দিয়ে দালালের মাধ্যমে রফাদফা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।
নিয়মিত এসব দালালদের মধ্যে রয়েছে মোহাম্মদ আলী ও আবাহনীসহ অনন্ত ৫/৬ জনের একটি দালালচক্র। আর এসব দালালদের মাধ্যমে প্রতিমাসে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, দালাল মোহাম্মদ আলী চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসির অত্যন্ত বিশ্বস্ত। তার মাধ্যমে মহাসড়কে চলাচলকারী পিকআপ, নিষিদ্ধ ট্রাক্টর ট্রলি, মাটি সরবরাহকারী ট্রাক্টর, নছিমন, করিমনসহ বিভিন্ন অবৈধ যানবাহন থেকে মাসিক হারে টাকা কালেকশন করেন মোহাম্মদ আলী। পরে সেখান থেকে দালালসহ থানার কর্মকর্তারা টাকা ভাগবাটোয়ারা করেন। এ দিকে আবাহনী নামক ওই দালাল স্থানীয় হওয়ায় সার্বক্ষণিক তাকে থানায় ওসির কক্ষে অবস্থান করতে দেখা যায়।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগি মালিক ও শ্রমিকরা হাইওয়ে পুলিশের হয়রানি থেকে বাঁচতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। (চলবে)
এএইচ/এবি