শনিবার ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ইং ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিখোঁজের ৭দিন পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চিতা’ গ্রেপ্তার

বিএনপি নতুন সিইসি নিয়োগের রহস্য দেখছে

আকাশবার্তা ডেস্ক :

বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদাকে বিতর্কিত ও অনভিজ্ঞ ব্যক্তি বলে বর্ণনা করে বিরোধী দল বিএনপি বলেছে, তারা মনে করছে মি হুদার নিয়োগ রহস্যজনক ও পূর্বপরিকল্পিত।

বিবিসি বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বিএনপি-র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের রাজনৈতিক আনুগত্য নিয়ে যেমন সমস্যা আছে, তেমনি এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করার মতো যোগ্যতারও অভাব আছে।

তবে এই নিয়োগকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেও পরবর্তী নির্বাচন কমিশনের অধীনে তারা ভোটে লড়তে প্রস্তুত কি না, বিএনপি মহাসচিব সরাসরি তার কোনও উত্তর দেননি।

“নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করার প্রশ্ন তো এখন আসছে না। সে নির্বাচন যখন সামনে আসবে, তখনকার পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে”, বিবিসিকে জানিয়েছেন মি আলমগীর।

তবে কে এম নুরুল হুদার অতীত কর্মজীবন ও রাজনৈতিক যোগাযোগ সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে তারা এর মধ্যেই নিশ্চিত হয়েছেন যে আওয়ামী লীগের প্রতি তিনি বহুদিন ধরেই বিশ্বস্ত – এবং তিনি কিছুতেই নিরপেক্ষ নন।

“ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছাত্রলীগ করতেন, পরে কর্মজীবনেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে তার সংস্রব ছিল। সরকারি আমলা থাকাকালীন বিতর্কিত জনতার মঞ্চের সঙ্গেও তার যোগাযোগের প্রমাণ পেয়েছি আমরা”, বলেছেন বিএনপি মহাসচিব।

তিনি আরও বলেছেন, “বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেমন জটিল ও নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে মানুষের ধারণাও যেমন বিরূপ, তাতে এমন একজন বিতর্কিত ব্যক্তির নিয়োগ রহস্যজনক বলেই আমরা মনে করছি।”

পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনে বিএনপি-র সুপারিশ করা নামের তালিকা থেকেও একজন ঠাঁই পেয়েছেন, তবে তাতে কমিশনের কাছে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যাবে না বলেই বিএনপির ধারণা।

“পাঁচ সদস্যের কমিশনে একজন কমিশনার আর কতটুকু কী করতে পারেন? তা ছাড়া আমাদের নির্বাচন কমিশনের কাঠামোটাই এমন, যাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকাটাই মুখ্য”, বলছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

কিন্তু এখন তারা কি এই নতুন নির্বাচন কমিশনকে কিছুটা সময় দিতে রাজি? তারা কীভাবে কাজকর্ম করে সেটা কি কিছুটা সময় তারা দেখে নিতে চান?
বিবিসির এই প্রশ্নের জবাবে মি আলমগীর বলেন, “প্রশ্নটা আমাদের সময় দেওয়া না-দেওয়ার নয়। আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, গত দুই মেয়াদে সরকার যেভাবে চেয়েছে নির্বাচন কমিশন সেভাবেই নির্বাচন পরিচালনা করেছে এবং তা নিরপেক্ষ হয়নি।” “এখন এই নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কীভাবে পদক্ষেপ নেন সেটা দেখেই আমরা সিদ্ধান্ত নেব।”

“কমিশন তো গঠন হয়েই গেছে, প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করে দিয়েছেন। গেজেট হয়ে গেছে, তারা তো এসেই গেছেন – এখন দেখি তারা কীভাবে এগোন, তার ওপরেই নির্ভর করবে আমরা পরবর্তীতে কী করব”, বলেছেন তিনি।

সূত্র-বিবিসি বাংলা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জানুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮