মঙ্গলবার ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

বিএনপি নতুন সিইসি নিয়োগের রহস্য দেখছে

আকাশবার্তা ডেস্ক :

বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদাকে বিতর্কিত ও অনভিজ্ঞ ব্যক্তি বলে বর্ণনা করে বিরোধী দল বিএনপি বলেছে, তারা মনে করছে মি হুদার নিয়োগ রহস্যজনক ও পূর্বপরিকল্পিত।

বিবিসি বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বিএনপি-র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের রাজনৈতিক আনুগত্য নিয়ে যেমন সমস্যা আছে, তেমনি এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করার মতো যোগ্যতারও অভাব আছে।

তবে এই নিয়োগকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেও পরবর্তী নির্বাচন কমিশনের অধীনে তারা ভোটে লড়তে প্রস্তুত কি না, বিএনপি মহাসচিব সরাসরি তার কোনও উত্তর দেননি।

“নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করার প্রশ্ন তো এখন আসছে না। সে নির্বাচন যখন সামনে আসবে, তখনকার পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে”, বিবিসিকে জানিয়েছেন মি আলমগীর।

তবে কে এম নুরুল হুদার অতীত কর্মজীবন ও রাজনৈতিক যোগাযোগ সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে তারা এর মধ্যেই নিশ্চিত হয়েছেন যে আওয়ামী লীগের প্রতি তিনি বহুদিন ধরেই বিশ্বস্ত – এবং তিনি কিছুতেই নিরপেক্ষ নন।

“ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছাত্রলীগ করতেন, পরে কর্মজীবনেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে তার সংস্রব ছিল। সরকারি আমলা থাকাকালীন বিতর্কিত জনতার মঞ্চের সঙ্গেও তার যোগাযোগের প্রমাণ পেয়েছি আমরা”, বলেছেন বিএনপি মহাসচিব।

তিনি আরও বলেছেন, “বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেমন জটিল ও নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে মানুষের ধারণাও যেমন বিরূপ, তাতে এমন একজন বিতর্কিত ব্যক্তির নিয়োগ রহস্যজনক বলেই আমরা মনে করছি।”

পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনে বিএনপি-র সুপারিশ করা নামের তালিকা থেকেও একজন ঠাঁই পেয়েছেন, তবে তাতে কমিশনের কাছে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যাবে না বলেই বিএনপির ধারণা।

“পাঁচ সদস্যের কমিশনে একজন কমিশনার আর কতটুকু কী করতে পারেন? তা ছাড়া আমাদের নির্বাচন কমিশনের কাঠামোটাই এমন, যাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকাটাই মুখ্য”, বলছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

কিন্তু এখন তারা কি এই নতুন নির্বাচন কমিশনকে কিছুটা সময় দিতে রাজি? তারা কীভাবে কাজকর্ম করে সেটা কি কিছুটা সময় তারা দেখে নিতে চান?
বিবিসির এই প্রশ্নের জবাবে মি আলমগীর বলেন, “প্রশ্নটা আমাদের সময় দেওয়া না-দেওয়ার নয়। আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, গত দুই মেয়াদে সরকার যেভাবে চেয়েছে নির্বাচন কমিশন সেভাবেই নির্বাচন পরিচালনা করেছে এবং তা নিরপেক্ষ হয়নি।” “এখন এই নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কীভাবে পদক্ষেপ নেন সেটা দেখেই আমরা সিদ্ধান্ত নেব।”

“কমিশন তো গঠন হয়েই গেছে, প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করে দিয়েছেন। গেজেট হয়ে গেছে, তারা তো এসেই গেছেন – এখন দেখি তারা কীভাবে এগোন, তার ওপরেই নির্ভর করবে আমরা পরবর্তীতে কী করব”, বলেছেন তিনি।

সূত্র-বিবিসি বাংলা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১