নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে সাজানো ডাকাতির ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি। রোববার (১৫ জুলাই) দুপুরে ঘটনাস্থল চন্দ্রগঞ্জ ইউপির ধন্যপুর গ্রামের আব্বাস খানের বাড়িতে তদন্তে যায় পুলিশ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর-সার্কেল) আনোয়ার হোসেন, চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ, অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. শাহজালাল, স্থানীয় মেম্বার কফিল উদ্দিনসহ অন্যান্যরা। পরে ডাকাতির ঘটনার আলামত প্রত্যক্ষ করেন পুলিশ কর্মকর্তারা। কিন্তু ডাকাতির ঘটনা ঘটার মত কোনো সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ সময় ঘটনার বাদি জাহানারা বেগমের বক্তব্যেও গড়মিল দেখা যায়।
জানা যায়, ধন্যপুর গ্রামের আব্বাস খানের বাড়ির প্রবাসী আবু তাহেরের স্ত্রী জাহানারা বেগম একই বাড়ির সোলায়মানের কাছ থেকে বিগত মাস দুয়েক আগে ৬ শতাংশ জমি খরিদ করেন। কিন্তু জাহানারা বেগম সোলায়মানের চাচাতো ভাই মনির হোসেনদের জমিসহ ১৬ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখলে নেন। এতে মনির হোসেনদের সাথে জাহানারা বেগমের বিরোধ শুরু হয়। এ ঘটনায় জাহানারা বেগম চন্দ্রগঞ্জ থানায় মনির হোসেন গংদের বিবাদি করে একটি অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েক দফায় চন্দ্রগঞ্জ থানায় উভয়পক্ষের সালিশ বৈঠক হয়। গত ১৩ জুলাই শুক্রবার বিকালেও সালিশ বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিবাদি হাজির হলেও বাদি জাহানারা বেগম উপস্থিত হননি। পরদিন সকালে তার বসতঘরে ডাকাতি হয়েছে বলে জাহানারা বেগম ও তার লোকজন চিৎকার ছেঁচামেচি করেন। পরে ডাকাতির ঘটনায় একটি অভিযোগও দায়ের করেন তিনি। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে রোববার দুপুরে ঘটনাস্থলে যান পুলিশ কর্মকর্তারা।
এ ব্যাপারে চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ মুঠোফোনে বলেন, ডাকাতির অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, দুইপক্ষের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ আছে। আমরা বিষয়টি আরো তদন্ত করছি।