আকাশবার্তা ডেস্ক :
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার দিন জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালনকে ঘিরে কেউ চাঁদা দাবি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২৪জুলাই) বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।
এর আগে ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে হয় সম্পাদকমণ্ডলীর সভা। এতে শোকের মাসের কর্মসূচি চূড়ান্ত হয।
সভয় দলের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুরনাহার লাইলী, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ ছাড়াও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অপু উকিলসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার ধানমন্ডির বাসায় সপরিবারে হত্যা করে সেনাবাহিনীর বিপথগামী কিছু সদস্য। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে।বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে জাতীয় শোক দিবসের আনুষ্ঠানিকতা এবং সরকারি ছুটি বাতিল করলেও ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আবার তা পুনর্বহাল করে।
এই দিনটিতে আওয়ামী লীগ নানা আয়োজনে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করে। আর প্রতিবারের মতো এবারও নানা আয়োজন রেখেছে। কেবল একটি দিবস নয়, আওয়ামী লীগের কর্মসূচি চলে গোটা মাস জুড়েই। এবারও গোটা মাস জুড়েই নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কোথাও যদি এমন (চাঁদা দাবি) কিছু হয়, তাহলে আমাদের নেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে টেলিফোন করে তথ্য দিলে আমরা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’ ‘জাতীয় শোক দিবসকে কেন্দ্র করে আমাদের পার্টির কেউ যাতে চাঁদাবাজি না করে সেই জন্য পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছি। দলের চাঁদা নিয়ে আমরা প্রোগ্রাম করব, এর বাহিরে কেউ যেন চাঁদা না তুলে।’‘এটা (চাঁদাবাজি) একটা অপকর্ম। এ বিষয়ে সহযোগী সংগঠনগুলোকে লক্ষ্য রাখতে বলেছি।’ ‘এ শোকের মাসের সন্মান, মর্যাদা, অবমাননাকর না হয়। জাতির পিতার আত্মার অমর্যাদা না করে।’
নির্বাচনের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন যতোই ঘনিয়ে আসবে, জোটকেন্দ্রিক রাজনীতির মেরুকরণ ততোই বাড়বে। তবে শেষ সমীকরণ দেখতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।