নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই লক্কর ঝক্কর একটিমাত্র গাড়ি দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ। ২০১৪ সালের ১২ আগষ্ট এখনকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন এবং থানার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর প্রায় ৫ বছর পেরিয়ে গেলেও পরিবহন সমস্যার সমাধান হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৬ বছর আগে চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি নামে মান্দারীতে এর যাত্রা শুরু হয়। এরপর ২০১৪ সালে বর্তমান সরকার চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িকে থানায় উন্নীত করে। থানাটিতে পুরনো লক্কর ঝক্কর একটিমাত্র পুলিশ ভ্যান দিয়ে বিশাল এরিয়ার মহাসড়ক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছেনা। দুর্ঘটনা কবলিত এলাকায় পৌঁছাতেই ঘন্টার ঘন্টা সময় লেগে যায়।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার নিয়ন্ত্রণ এলাকা লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থেকে নোয়াখালীর সেবারহাট পর্যন্ত। কিন্তু বিশাল এই মহাসড়ক এলাকার নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন দ্রুতগামী অত্যাধুনিক নতুন গাড়ি। পুরনো যে ভ্যান গাড়িটি আছে এটি প্রায় প্রতিদিনই নষ্ট হয়ে পড়ে থাকে। যার কারণে দুর্ঘটনা কবলিত যানবাহন এবং আহত-নিহতদের উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ভুক্তভোগিরা জানান, আহত অনেককে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যু ঘটে।
লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও চন্দ্রগঞ্জ উন্নয়নের রূপকার আলহাজ্ব এম আলাউদ্দিন জানান, বর্তমান সরকারের সময়ে ‘চন্দ্রগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র’ এবং ‘চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি’ দুটোকেই থানায় উন্নীত করা হয়। এই জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু হাইওয়ে থানায় একটি দ্রুতগামী অত্যাধুনিক নতুন পুলিশ ভ্যান গাড়ি না থাকায় নানাবিধ সমস্যা হচ্ছে। সমস্যাটি দূর করার জন্য আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।
পরিবহন সমস্যার কথা স্বীকার করে চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহাজাহান খাঁন বলেন, পুরনো ভ্যান গাড়িটি ঘন ঘন নষ্ট হয়ে যায়। বার বার ঠিক করানোর পরও একই অবস্থা। আমরা অনেক কষ্ট করে বিশাল মহাসড়ক এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতে সমস্যা হচ্ছে।
এএইচ/এবি