নিজস্ব প্রতিবেদক :
কোরবানির ঈদের আর মাত্র ৯দিন বাকি। এরই মধ্যে লক্ষ্মীপুর জেলার হাটগুলোতে প্রচুর গরু উঠেছে। তবে বিক্রি এখনো জমে ওঠেনি। জেলার বড় পশুর হাটগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় বাজার চন্দ্রগঞ্জ। এছাড়াও মৌসুমী পশুর হাট মেলানোর জন্য ছোট ছোট বাজারগুলো ইজারা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন।
রোববার দুপুরে চন্দ্রগঞ্জ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ছোট-বড় ট্রাক ও পিকআপ ভর্তি করে বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু নিয়ে আসছেন ব্যাপারী ও খামারিরা। সকাল ১০টা থেকেই গরু আসতে শুরু করে। দুপুর ১২টা নাগাদ হাটের বিশাল মাঠ গরু দিয়ে ভরে যায়। তবে বেলা ৩টা পর্যন্ত হাটে ক্রেতা উপস্থিতি তেমন একটা চোখে পড়েনি।

রোববার চন্দ্রগঞ্জ বাজারে এই গরুটির দাম হাঁকানো হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার।
বাজার ইজারাদাররা জানায়, অন্যবারের তুলনায় এবার হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উপস্থিতি কম। বিকাল ৫টা নাগাদ চন্দ্রগঞ্জ বাজারে মাত্র ১৫টি গরু বেচাকেনা হয়েছে। তাও এগুলো ব্যাপারীদের নিজেদের মধ্যেই বিক্রি হয় এসব গরু। তাই তাদের হাসিল আদায় কম হয়েছে।
এই বাজারে সবচেয়ে বড় গরুটির দাম হাঁকানো হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। তবে ব্যাপারী জানিয়েছেন, ১ লাখ ৮০ হাজার হলে বিক্রি করবেন তিনি।
এ দিকে ব্যাপারীদের অভিযোগ জেলার মজুচৌধুরীর হাটসহ পশুবাহী যানবাহন থেকে চাঁদাবাজি চলছে নিরবে। যার কারণে নির্ধারিত গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছাতে পশুর দাম একটু বেশি পড়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে গো-খাদ্যের অভাবে গরু রাখা সম্ভব হবে না বিদায় এবার আগে-ভাগে কেউ গরু কিনতে আগ্রহী নয়।
জেলার সড়ক পথে এবং মজুচৌধুরীর হাটে ফেরীঘাটে পশুবাহী যানবাহনে চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার আ স ম মাহাতাব উদ্দিন বলেছেন, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারী বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের একাধিক মোবাইল টিম জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। কোনো ভাবে চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দেওয়া হবেনা বলে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের আশ্বস্ত করেন।