বিশেষ সংবাদদাতা :
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে লক্ষ্মীপুরের মান্দারী বাজারে বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে মিলাদ মাহফিল ও শোকসভার আয়োজন করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাজারের মান্দারী ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে ইউনিয়ন আ.লীগের সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আ.লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহিম। এতে দলের যুগ্ম সম্পাদক আব্বাস উদ্দিন অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি শাহজান কামাল, থানা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৌরভ হোসেন রুবেল পাটোয়ারী, আ.লীগ নেতা নবীবুর রহমান মুকুল, জাকির হোসেন নাসির পাটোয়ারী, কবির খাঁন, ইসমাইল হোসেন মেম্বার, যুবলীগ নেতা কুদ্দুস পাটোয়ারী ও চন্দ্রগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তালেব প্রমুখ।
তবে দলীয় দ্বন্দ্বে অনুষ্ঠানে মান্দারী ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ওহিদুজ্জামান বেগ বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক মাসুদ প্রফেসরকে বয়কট করা হয়। অনুষ্ঠানে দলের সহ-সভাপতি এবং যুগ্ম সম্পাদক ছাড়াও দলের বৃহৎ একটি অংশকে দেখা গেলেও বয়কটকৃত এই দুই নেতাকে অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি। এতে অনেকের মাঝে ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানায়, দলের সভাপতি ও সম্পাদক রাজনৈতিকভাবে একক কতৃত্ব প্রতিষ্ঠা, ত্যাগীদের অবমূল্যায়নসহ জাতীয় কিংবা স্থানীয় কর্মসূচিতে তেমন কোন ভূমিকা পালন করতে না পারায় বর্তমানে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এ ছাড়া পদ আকড়ে রেখে দলের গ্রহণযোগ্য কোন কর্মসূচি এ যাবত সফল করতে পারেনি বলেও দলীয় ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা দাবি করেন।
এরআগেও মান্দারীর জিল্লুর রহিম কলেজে ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুর স্মরণে আয়োজিত মিলাদ মাহফিল, শোকসভা ও কাঙ্গালিভোজ অনুষ্ঠানে দলীয় নেতাকর্মীদের হাতে বেদম মারধর ও লাঞ্চিত হন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবদুর রহিম মিন্টু মেম্বার।
জানা গেছে, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা ঘটে। তবে নেতাকর্মীরা স্থানীয় আ.লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের সমন্বয়হীনতাকে এ ঘটনার জন্য দায়ী করেন তারা।