বুধবার ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ ইং ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান

ফৌজদারি মামলা : অনুমতি ছাড়া সরকারি চাকরিজীবীদের গ্রেপ্তার নয়

আকাশবার্তা ডেস্ক : 


কোনো অভিযোগপত্র গ্রহণের আগে ফৌজদারি মামলায় সরকারি কর্মচারীকে গ্রেপ্তারে সরকারের অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপ হচ্ছে।

সোমবার (২০আগস্ট) ঈদের আগে মন্ত্রিসভার শেষ বৈঠকে অনুমোদন হওয়া ‘সরকারি চাকরি আইন ২০১৮’এর চূড়ান্ত খসড়ায় এমন বিধান রাখা হয়েছে। ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম এই তথ্য জানান।

সচিব জানান, সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের জন্য আইন প্রণয়নের বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু কোনো সরকারই এ আইন প্রণয়ন করেনি। আওয়ামী লীগের টানা দুই মেয়াদের প্রথম মেয়াদে কয়েক দফা খসড়া হলেও তাও আটকে থাকে দীর্ঘ দিন।

২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকার আবার ক্ষমতায় আসার এক বছর পর ২০১৫ বছরের ১৩ জুলাই ‘সরকারি কর্মচারী আইন ২০১৫’ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর আইনের খসড়াটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হলে তা অনুমোদন পায়নি।

তখন মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছিলেন, ‘এটা (সরকারি কর্মচারি আইন) ছিল ১৬ ধারার ছোট আইন। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের পর এটা ৭১টি ধারার অনেক বড় আইন হয়ে গেছে। এজন্য মন্ত্রিসভা বলেছে এটা একটু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার। কারণ অনেক বড় পরিবর্তন হয়ে গেছে।’

গত বছরের ৫ ডিসেম্বর প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় অনুমোদনের জন্য খসড়াটি উপস্থাপন করা হয়।

সে সময় প্রস্তাবিত আইনটির বিভিন্ন ধারা আরও চুলচেরা বিশ্লেষণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইনকে প্রধান করে ৮ সদস্যের একটি উপ-কমিটি গঠন হয়। ওই কমিটি ৫ দফা বৈঠক করে ২৯টি প্রস্তাবসহ প্রতিবেদন জমা দেয়। গত এপ্রিলে সচিব কমিটির বৈঠকে ওই প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।

এছাড়া, আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল আইন-২০১৮’ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কোনো এলাকায় সংক্রামক রোগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়লে ওই এলাকায় জনচলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ, অন্য এলাকা থেকে ওই এলাকা বিচ্ছিন্ন এমনকি ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করার বিধান সংক্রান্ত আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

আইনের ১০ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট এলাকা বিচ্ছিন্ন কিংবা স্থাপনা ধ্বংসের জন্য সিভিল সার্জনের অনুমতি লাগবে। আইনে ২৩ ধরনের রোগকে সংক্রামক রোগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এছাড়া আইনে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি ইচ্ছা করে সংক্রামক রোগ ছড়ালে তার সাজা সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড। কোনো ব্যক্তি দায়িত্ব পালনে বাধা দিলে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সংক্রামক রোগ বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিলে তার সাজা দুই মাসের জেল, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে বলে ওই আইনে বলা হয়েছে।’

সূত্র : দৈনিক আমার সংবাদ

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১