আকাশবার্তা ডেস্ক :
নাটোরের লালপুর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে লেগুনার সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ জন হয়েছে বলে খরব পাওয়া গেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্রে করে একটি মামলা হয়েছে। গতকাল শনিবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার কদিমচিলান কিলিক মোড় এলাকায় নাটোর-পাবনা মহাসড়কের ওই দুর্ঘটনার পর গভীর রাতে লালপুর থানায় মামলাটি করেন বনপাড়া হাইওয়ে পুলিশের এএসআই ইউসুফ আলী। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি জানান, মামলায় সাতজনকে আসামি করা হযেছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- বনপাড়া লেগুনা মালিক সমিতির সভাপতি জাবেদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, দুর্ঘটনায় নিহত লেগুনার চালক নিহত রহিম ও সহকারী রাজা এবং দুর্ঘটনা ঘটানো বাসটির চালক ও হেলপার।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার এসআই তরিকুল ইসলাম ও নাটোর ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আক্তার হোসেন জানান, গতকাল বিকেল ৪টার দিকে পাবনা থেকে বগুড়াগামী চ্যালেঞ্জার পরিবহনের একটি বাস কদিমচিলান এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি লেগুনাকে সামনে থেকে চাপা দেয়। এতে লেগুনার সকল যাত্রী ছিটকে পড়লে চাপা পড়ে দুই শিশু, ছয় নারীসহ ১০ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে হাসপাতালে তিনজন ও এরপর আরও একজন মারা যান এবং গভীর রাতে আরেকজনের মৃত্যু হয়।
তারা জানান, এসময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে গাছের সাথে ধাক্কা খায়। এতে বাসের অন্তত ১৫ যাত্রী আহত হন। আহতদের মধ্যে দুইজনকে গুরুতর অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের বনপাড়ার বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর বিয়ষটি তদন্তে নাটোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও এডিএম রেজাজ্জাকুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল হাসনাত ও বিআরটিএ নাটোরের সহকারী পরিচালক আশরাফুজ্জামান।