আকাশবার্তা ডেস্ক :
লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুতের মনগড়া বিলসহ নতুন সংযোগ ফি’ বাবদ কর্মকর্তা-কর্মচারীরের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ, লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজশে গ্রাহক সংযোগের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়সহ চলতি আগষ্ট মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে দুই-তিন গুণ বেশি বিদ্যুৎ বিল করা হয়েছে। ব্যবহৃত ইউনিট না দেখে বা রিডিং লিপিবদ্ধ করার সময় অতিরিক্ত ইউনিট লিখে নিয়ে মনগড়া ভাবে বিল প্রস্তুত করে গ্রাহকদের পৌঁছানো হয়েছে। এ সময় বিদ্যুৎ বিল বিলিকারীর সাথে গ্রাহকদের বাগবিতন্ডা হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আবার বিল নিয়ে অভিযোগ করতে গেলেও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এ অবস্থা জেলার সদর উপজেলা, চন্দ্রগঞ্জ, রামগঞ্জ, রামগতি, কমলনগর উপজেলা ও রায়পুর পৌর শহরের বিভিন্নস্থানে ঘটেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগিরা।
চন্দ্রগঞ্জ এলাকার পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের বাসিন্ধা পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক মোহাম্মদ আলী হোসেন এর ২২০৪/৫০২ হিসাব নং মিটারের রিডিং নেওয়া হয় আগষ্ট মাসের ১৮ তারিখে। ২৯ আগষ্ট বিলের কাগজ বিতরণ করা হয়। এতে মিটার রিডিং দেখানো হয়েছে ১২৪৫০, বিল করা হয়েছে ২২০৩ টাকা। জুলাই মাসের রিডিং ছিল ১২০৬৫। অথচ ২৯ আগষ্ট মিটারের বর্তমান রিডিং দেখা যায় ১২৩২৩। ২৯ আগষ্টের হিসাবই যদি ধরা হয় তাহলেও ১২৭ ইউনিট বাড়তি লেখা হয়েছে। কিন্তু রিডিং নেওয়া হয়েছে ১৮ আগষ্ট। সে অনুযায়ী আরো কম ইউনিট ব্যবহৃত হয়েছে বলেই মনে করছেন ওই গ্রাহক। বিলটি সংশোধনের জন্য বিসমিল্লাহ রোডের পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ভুল স্বীকার করে বিলটি সংশোধনের জন্য দোতলায় পাঠিয়ে দেন। কিন্তু তখনও বেলা ১০টার বেশি বাজলেও বিল প্রস্তুতকারক অফিসে আসেন নি।
লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. শাহজাহান কবীর জানান, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নেওয়ার বিষয়ে অভিযোগ বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকদের থেকে পেয়েছেন তিনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।