শনিবার ২৫শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১২ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে জামায়াত নেতা-কর্মীরা

আকাশবার্তা ডেস্ক :


*জোটগতভাবে নির্বাচন করলে ৩ দিনের মধ্যে ইসিকে জানাতে হবে*৩০০ সংসদীয় আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ*ভোটার প্রতি সর্বোচ্চ খরচ ১০ টাকা*ভোটার বেশি হলেও ২৫ লাখের বেশি খরচ করা যাবে না।

সম্প্রতি নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। এজন্য তাদের যেকোনো নিবন্ধিত দলের প্রতীক ব্যবহার করতে হবে। অথবা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। শুধু জামায়াত নয়, অনিবন্ধিত যেকোনো দলের নেতারা একই সুযোগ পাবেন। তবে কোনো দলের প্রতীকে ভোট করতে হলে সংশ্লিষ্ট দলের মনোনয়নের প্রয়োজন হবে। আর জোটগতভাবে নির্বাচন করতে হলে ৩ দিনের মধ্যে ইসিকে জানাতে হবে।

গতকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদে একথা জানিয়েছেন। এক প্রশ্নের জবাবে সচিব জানান, নিবন্ধিত দল চাইলে অনিবন্ধিত দলের সদস্যরা তাদের প্রতীকে প্রার্থী দিতে পারবে। দলের প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সংশ্লিষ্ট দলের ন্যূনতম তিন বছর সদস্য থাকার বিধান গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ থেকে ২০১৩ সালে তুলে দেওয়ায় এ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বর্তমানে বিভিন্ন জোটের অনিবন্ধিত দলগুলোর পরিচিত নেতারা বড় কোনো দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারবেন।

অনিবন্ধিত কোনো দলের নেতাদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার আইন নেই উল্লেখ করে ইসি সচিব বলেন, জামায়াতে ইসলামীর মতো নিবন্ধন হারানো দল বা ইসিতে নিবন্ধিত নয় এমন রাজনৈতিক দলও নির্বাচন করতে পারবে। তবে তাদের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন ও তাদের নির্বাচনি প্রতীক ব্যবহার করতে হবে। তিনি বলেন, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল যদি কোনো অনিবন্ধিত দলের প্রার্থীকে নিবন্ধিত দলের প্রার্থী হিসেবে নমিনেশন দেয়, তাহলে তো তারা বাধা দিতে পারবেন না। আর অনিবন্ধিত বা বাতিল হওয়া কোনো দলের কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাইলে তা আটকানোর কোনো আইন নেই বলে সচিব উল্লেখ করেন।

জোটগত নির্বাচনে অংশ নিতে হলে ইসিকে অবহিত করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জোটগতভাবে নির্বাচন করতে চাইলে তিন দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে হবে। গতকাল দলগুলোকে এ বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার বিষয়ে সচিব বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দের আগে কেউ নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবে না। আগামী ৭ দিনের মধ্যে আগাম প্রচার সরিয়ে ফেলতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৩ ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন ১৯ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ২২ নভেম্বর এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন ২৯ নভেম্বর।গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে নির্বাচনের এই তফসিল ঘোষণা করেন। সিইসির ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়।

প্রসঙ্গত, সংবিধান অনুযায়ী আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। গত ৩১ অক্টোবর থেকে নির্বাচনকালীন সময়ের ক্ষণ-গণনা শুরু হয়। তবে ডিসেম্বরের মধ্যেই ভোটগ্রহণ শেষ করতে বদ্ধপরিকর ছিল নির্বাচন কমিশন। এজন্য ১ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি জানায় ইসি। গত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

৩০০ সংসদীয় আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক রিটার্নিং কর্মকর্তার এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা/জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা গত বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট জেলা-উপজেলায় পাঠানো হয়েছে।

ভোটার প্রতি সর্বোচ্চ খরচ ১০ টাকা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার প্রতি ১০ টাকার বেশি খরচ না করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একটি সংসদীয় আসনে অনেক ভোটার হলেও ২৫ লাখ টাকার বেশি খরচ করা যাবে না। দল থেকে পাওয়া অনুদান মিলে এই টাকার মধ্যেই নির্বাচনি ব্যয় শেষ করতে হবে বলে বৃহস্পতিবারই এক চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছে ইসি। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) অনুযায়ী গতকাল মাঠপর্যায়ে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনে ভোটারদের টাকা দেয়া ও আপ্যায়ন করার প্রতি বিধি নিষেধ রয়েছে। তবে প্রার্থীরা এই টাকা নির্বাচনি প্রচার যেমন পোস্টার, মাইকিং ও অন্যান্য খাতে ব্যয় করতে পারবেন। নির্বাচনে আরপিওর কোনো ধারা লঙ্ঘন করলে প্রার্থিতা বাতিল করারও বিধান রয়েছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০