ঢাকা মহানগর পুলিশর তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার জানান, আদাবর যুবলীগের আহ্বায়ক তুহিনকে শনিবার রাতে তারা গ্রেপ্তার করেন।
তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে বলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি জামাল উদ্দীন মীর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানকের অনুসারী হিসেবে পরিচিত আরিফুর রহমান তুহিন গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থনে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করে আবুল হাসেম হাসুর কাছে পরাজিত হন।
এদিকে শনিবারের ঘটনায় নিহত আরিফের বাবা ফারুক হোসেন রাতে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করেছেন।
ফৌজদারি আইনের ৩০৪ ধারায় (বেপরোয়া যান চালনায় মৃত্যু) দায়ের করা ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ২০-২৫জনকে আসামি করা হয়েছে বলে ওসি জামাল উদ্দীন মীর জানান।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “ওই ঘটনায় জড়িতদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে।”
রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবরে শনিবার আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে পিকআপের
চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যান।
ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং ওই আসন থেকে এবার মনোনয়ন প্রত্যাশী সাদেক খানের সমর্থকদের মধ্যে শনিবার কযেক দফা সংঘর্ষ হয়। নবোদয় হাউজিং, আদাবরের ১০ ও ১৬ নম্বর সড়ক, শম্পা মার্কেট এলাকা এবং উত্তর আদাবরের সুনিবিড় হাউজিংয়ে ওই সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হন।
এর মধ্যে নবোদয় হাউজিংয়ের লোহার গেইটের কাছে সংঘর্ষের মধ্যে একটি পিকআপ ভ্যানের চাপায় আরিফ (১৫) ও সুজন (১৭) নামে দুই কিশোরের মৃত্যু হয়।
ওই ঘটনার পর সাদেক খান অভিযোগ করেন, যুবলীগ নেতা তুহিনের নেতৃত্বে তার সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে তুহিন শনিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বর্তমান সাংসদের লোকজনের উপর কারা হামলা চালাতে পারে, এটা পরিষ্কার। তারা জামায়াত-শিবির-বিএনপির লোক। তারা আওয়ামী লীগের লেবাস পরে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে মাঠে নেমেছে।”