আকাশবার্তা ডেস্ক :
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে নির্বাচনী এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব মোতায়েন করা হবে।নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধ পরিকর।
এজন্য সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কেউ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়িছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালউদ্দিন আহমেদ।
বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে ইসিতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ব্রিফ করার সময় এ কথা বলেন তিনি।
উল্লেখ্য, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়ার দাবি তোলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপেও। তখন একে সংবিধান পরিপন্থি বলে ক্ষমতাসীন ১৪ দলের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়।
ইসি বলছে, সশস্ত্র বাহিনীর কর্মপরিধি এবং কত সময় তারা নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করবে- সে বিষয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি এবং ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের সংসদ নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর প্রায় ৫০ হাজার সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছিল।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, ২০০১ সালের আগে নির্বাচনে সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত কোনো বিধান আরপিওতে ছিল না। তারপরও ১৯৭৩ থেকে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদেরও জেলা/থানা/উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়।
২০০১ সালের এক অধ্যাদেশে নির্বাচনে ‘ল’ এনফোর্সিং এজেন্সির’ সংজ্ঞায় ‘ডিফেন্স সার্ভিস’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কিন্তু ২০০৯ সালে তা বাদ দেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালউদ্দিন আহমেদ বলেন, ভোটের আগেই নির্বাচনি এলাকায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব মোতায়েন করা হবে।নির্বাচনের আগে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সেনাবাহিনী তাদের নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে।
অন্যদিকে, একই অনুষ্ঠানে কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, এবারের নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুখ দেখানো যাবে না। কেউ যদি নির্বাচনকে ভণ্ডুল করতে চায় তবে আইন এর মধ্য থেকে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইসি কমিশনার মাহবুব তালুকদার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। এসময় রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়নে তৃণমূলের মতামত নিয়ে করা হয়নি।