-
- জাতীয়, টিকার
- অধরাই থেকে গেলো বিতর্কিতরা
- আপডেট : November, 26, 2018, 6:14 am
- 282 জন পড়েছেন
আকাশবার্তা ডেস্ক :
*২৩০ আসনের প্রার্থীদের চিঠি বিতরণ শুরু* জোটগত ৩০০ আসনের তালিকা প্রকাশ আজ* মাদক কারবারিরাও বহাল* মনোনয়ন বাণিজ্যের গুঞ্জন* কিছু আসনে নতুন মুখ, বাদ হেভিওয়েট ৬ প্রার্থী
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দলের প্রার্থীদের চিঠি দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আনুষ্ঠানিক না হলেও অনানুষ্ঠানিকভাবে দলটির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ পেয়েছে। ওই তালিকায় অধরাই রয়েছেন বিতর্কিতরা। বিতর্কিত এবং মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিতরাও পেয়েছেন নৌকার টিকিট। কয়েকটি আসনে বিতর্কিতদের বাদ রাখলেও মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের। আর এসব টিকিট প্রাপ্তিতে দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা মনোনয়ন বাণিজ্যে জড়িয়েছেন বলেও অভিযোগ রটেছে। তথ্য মতে, ক্ষমতাসীন দলটি বরাবরই বলে আসছিল- নানা সময়ে বিতর্কিত ও মাদক ব্যবসায়ীরা মনোনয়ন পাবেন না। মনোনয়ন দেয়া হবে তৃণমূলে জনগণের মাঝে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা, দলের নেতাকর্মীদের সুসম্পর্ক রয়েছে এবং পারিবারিকভাবে আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য। গুরুত্ব পাবে- বিভিন্ন সংস্থার রিপোর্ট ও দলের সাংগঠনিক রিপোর্ট। কিন্তু নির্বাচনের বৈতরণী পার হতে অধিকাংশ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্যদের ওপরই ভরসা আওয়ামী লীগের। অথচ এসব সাংসদের অন্তত ৫০ জন নানা কর্মকাণ্ডে বিতর্কিত। নানা কর্মকাণ্ডে দল ও সরকার বিভিন্ন সময়ে বিব্রত অবস্থার মধ্যে পড়েছে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে ডজন খানেক সাংসদের বিরুদ্ধে। তাদেরও বহাল রাখা হয়েছে। মাদকের গডফাদার হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার-৪ আসনের সাংসদ আব্দুর রহমান বদির পরিবর্তে স্ত্রী শাহীনা আক্তার চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে। যা যেই লাউ, সেই কদু হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। খুলনা বিভাগের সীমান্তবর্তী একটি আসনের বর্তমান সাংসদ ও তার ভাইদের নাম উঠে এসেছে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে। সাংসদ ভাইয়ের ক্ষমতা ব্যবহার করে গোটা জেলার মাদকের সাম্রাজ্য দেখভাল করেন তার দুই ভাই। বিতর্কিত ওই সাংসদকেও মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এ রকম প্রায় ৩০টি আসনের মনোনয়ন দিয়ে দলের একটি গ্রুপ বাণিজ্য করেছেন বলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে দলের পক্ষ থেকে জরিপের ভিত্তিতে প্রার্থী দেয়ার কথা বলা হলেও বর্তমান মন্ত্রী-এমপিরাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে বহাল থাকছেন বলে জানা গেছে। কিন্তু এদের অনেকেই তো বিতর্কিত এমন প্রশ্নের জবাবে সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, কোন মন্ত্রী খারাপ আমাকে বলুন। কীভাবে মেজার করব? বেইজটা কী যে অমুক খারাপ লোক? তারপরও যাদের নিয়ে বিতর্ক আছে, সেখানে অলটারনেটিভ বেছে নিয়েছি। গতকাল রোববার সকাল থেকেই বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয় হতে দল মনোনীত প্রার্থীদের চিঠি দেয়ার কার্যক্রম শুরু করা হয়। দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে রংপুর-৬ ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের চিঠি গ্রহণ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এরপর সকল প্রার্থী চিঠি সংগ্রহ করেন। আজও চলছে চিঠি বিতরণ কার্যক্রম। আজ দুপুরে জোটগতভাবে ৩০০ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। এ পর্যন্ত দলীয় চিঠি তুলেছেন এবং মনোনয়ন পেয়েছেন এমন প্রার্থীরা হলেন- শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩ ও রংপুর-৬), ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১), শেখ ফজলুল করিম সেলিম (গোপালগঞ্জ-২), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), এইচএম ইব্রাহিম (নোয়াখালী-১), মোর্শেদ আলম (নোয়াখালী-২), মো. মামুনুর রশীদ কিরণ (নোয়াখালী-৩), ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), মহিউদ্দীন খান আলমগীর/গোলাম রহমান (চাঁদপুর-১), মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (চাঁদপুর-২), মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া (চাঁদপুর-৪), শ ম রেজাউল করিম (পিরোজপুর-১), নিজামউদ্দিন হাজারী (ফেনী-২), কামরুল ইসলাম (ঢাকা-২), নসরুল হামিদ বিপু (ঢাকা-৩), হাবিবুর রহমান মোল্লা/কাজী মনিরুল ইসলাম (ঢাকা-৫), হাজি সে?লিম (ঢাকা-৭), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল (ঢাকা-১২), সাদেক খান (ঢাকা-১৩), আসলামুল হক (ঢাকা-১৪), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ (ঢাকা-১৬), আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) (ঢাকা-১৭) সাহারা খাতুন (ঢাকা-১৮), ডা. এনামুর রহমান (ঢাকা-১৯), বেনজীর আহমেদ (ঢাকা-২০), মাশরাফি বিন মোর্তজা (নড়াইল-২), মাহবুবুল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১), হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (চট্টগ্রাম-১৩), জাফর আলম (কক্সবাজার-১), আশেক উল্লাহ রফিক (কক্সবাজার-২), সাইমুম সারোয়ার কমল (কক্সবাজার-৩), শাহিনা আক্তার চৌধুরী (কক্সবাজার-৪), মো. মাজহারুল হক প্রধান (পঞ্চগড়-১), অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশচন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), ইকবালুর রহিম (দিনাজপুর-৩), আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২), মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাঁ-১), নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাঁ-২), টিপু মুনশি (রংপুর-৪), এইচএন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫), মাহাবুব আরা বেগম গিনি (গাইবান্ধা-২), ডা. ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩), ডা. ফজলে রাব্বি মিয়া (গাইবান্ধা-১), শামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাঁ-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (জয়পুরহাঁ-২), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৫), সাধনচন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), নিজাম উদ্দিন জলিল জন (নওগাঁ-৫), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), প্রকৌশলী এনামুল হক (রাজশাহী-৪), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মো. আব্দুল কুদ্দুস (নাটোর-৪), শহিদুল ইসলাম বকুল (নাটোর-১), শফিকুল ইসলাম শিমুল নাটোর-২ (সদর), মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ডা. হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), ড. আব্দুল আজিজ (সিরাজগঞ্জ-৩), তানভির ইমাম (সিরাজগঞ্জ-৪), আবদুল মমিন ম-ল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), আহমেদ ফিরোজ কবির (পাবনা-২), মকবুল হোসেন (পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক প্রিন্স (পাবনা-৫), অ্যাড. শামসুল হক টুকু (পাবনা-১), ফরহাদ হোসেন দোদুল (মেহেরপুর-১), মাহবুব উল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), আবদুর রউফ (কুষ্টিয়া-৪), সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আলী আজগার টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিৎ কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য (যশোর-৫), ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), শেখ তন্ময় (বাগেরহাট-২), হাবিবুন্নাহার (বাগেরহাট-৩), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), শেখ জুয়েল (খুলনা-২), মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা-৩), আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), আকতারুজ্জামান বাবু (খুলনা-৬), মীর মোশতাক আহমেদ রবি (সাতক্ষীরা-২), অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), এসএম জগলুল হায়দার (সাতক্ষীরা-৪), বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর), র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর), অ্যাড. আনিসুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া), এবাদুল করিম বুলবুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর), এ.বি তাজুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর), অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্রচন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), শাহজাহান মজুমদার (পটুয়াখালী-১), আসম ফিরোজ ও শামসুল হক রেজা (পটুয়াখালী-২), এস এম শাহাজাদা (পটুয়াখালী-৩), মুহিবুর রহমান মুহিব (পটুয়াখালী-৪), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), আলী আজম মুকুল (ভোলা-২), আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস (বরিশাল-২), পংকজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), জেবুন্নেছা আফরোজ (বরিশাল-৫), আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), ড. আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪), ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), আহসানুল ইসলাম টিটু (টাঙ্গাইল-৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭), সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও মশিউর রহমান হুমায়ুন (কিশোরগঞ্জ-১), রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬), এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ-১), জাহিদ মালেক স্বপন (মানিকগঞ্জ-৩), সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (মুন্সীগঞ্জ-২), অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩), আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর-৫), গাজীপুর-৩ ইকবাল হোসেন সবুজ, লে. কর্নেল (অব.) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক (নরসিংদী-১), জহিরুল হক ভূঁইয়া (নরসিংদী-৩), অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪), আনোয়ারুল আশরাফ খান (নরসিংদী-২), রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু (নরসিংদী-৫), গোলাম দস্তগীর গাজী (নারায়ণগঞ্জ-১), নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), এ কে এম শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪), কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), জিল্লুল হাকিম (রাজবাড়ী-২), ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফরউল্লাহ (ফরিদপুর-৪), ফরিদপুর-২: মনজুর হো?সেন, লে. কর্নেল (অব.), নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১), শাজাহান খান (মাদারীপুর-২), আব্দুস সোবহান গোলাপ (মাদারীপুর-৩), ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), এ কে এম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩), মো. আব্দুল মজিদ খান (হবিগঞ্জ-২), অ্যাড. আবু জা?হির (হবিগঞ্জ-৩), ড. ফরাস উদ্দিন/মোহাম্মদ মাহবুব আলী (হবিগঞ্জ-৪), মির্জা আজম (জামালপুর-৩), মোজাফ্ফর হো?সেন/রেজাউল করিম হিরা (জামালপুর-৫), মো. মুরাদ হাসান (জামালপুর-৪), আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), একেএম ফজলুল হক চান (শেরপুর-৩), শরীফ আহ?ম্মেদ (ময়মনসিংহ-২), মো. মোসলেম উদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬) মাওলানা রুহুল আমিন মাদানী (ময়মনসিংহ-৭), ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩), মানু মজুমদার (নেত্রকোনা-১), আশরাফ আলী খান খসরু (নেত্রকোনা-২), রেবেকা মমিন (নেত্রকোনা-৪), ওয়া?রেসাত হো?সেন বেলাল (নেত্রকোনা-৫), জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এমএ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), একেএম মোমেন (সিলেট-১), মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী (সিলেট-৩), ইমরান আহমদ (সিলেট-৪), শাহাব উদ্দিন (মৌলভীবাজার-১), নেসার আহম্মেদ (মৌলভীবাজার-৩), মৌলভীবাজার-৪: উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ, অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), আ ন হ মুস্তফা কামাল (কুমিল্লা-১০), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১), সেলিমা আহমাদ মেরী (কুমিল্লা-২), ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন (কুমিল্লা-৩), রাজী মোহাম্মদ ফখরুল (কুমিল্লা-৪), মো. তাজুল ইসলাম (কুমিল্লা-৯)।
বাদ পড়লেন যারা
দলীয় মনোনয়ন দৌড়ে বাদ পড়েছেন আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট কয়েকজন নেতা। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবীর নানক এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি, আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক এমপি, সাবেক ভূমিমন্ত্রী রেজাউল করিম হীরা এমপি, অ্যাড. রহমত আলী এমপি, আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসেন এমপি প্রমুখ। এছাড়া আরও কয়েকজন বাদ পড়েছেন। আগামীকাল সব আসনের আনুষ্ঠানিক প্রার্থী ঘোষণা করার পর সেটা জানা যাবে।
নতুন মুখ যারা
আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবীর নানক এমপির পরিবর্তে ঢাকা-১৩ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান। আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহমানের পরিবর্তে ফরিদপুর-১ আসনের মনোনয়ন পেয়েছেন রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সাবেক সিনিয়র সচিব মঞ্জুর হোসেন বুলবুল। মাদারীপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের পরিবর্তে দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হককে বাদ দিয়ে শরীয়তপুর-১ আসনে পেয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মো. ইকবাল হোসেন অপু।জামালপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক ভূমিমন্ত্রী রেজাউল করিম হীরাও মনোনয়ন পাননি। গাজীপুর-৩ আসনের বর্তমান এমপি, সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট রহমত আলীকে বাদ রেখে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজকে দেয়া হয়েছে। টাঙ্গাইলের আলোচিত সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার বদলে টাঙ্গাইল-৩ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন রানার বাবা আতাউর রহমান খান। কক্সবাজার-৪ আসনে বদির পরিবর্তে তার স্ত্রী শাহীনা আক্তার চৌধুরী মনোনয়ন পেয়েছেন। পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বাদ পড়েছেন আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসেন। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এস এম শাহজাদা সাজু। তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার ভাগিনা। বি-বাড়িয়া-৫ আসনে বর্তমান সাংসদ ফয়জুর রহমান বাদল বাদ পড়েছেন। আসনটি নতুন প্রার্থী এবাদুল করিম বুলবুল। তিনি ওরিয়ন গ্রুপের কর্ণধার। নড়াইল-২ আসনে ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। সিলেট-১ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে এ কে আবদুল মোমেনকে বেছে নেয়া হয়েছে। তিনি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ভাই। সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন ডা. আজিজ। এ আসনে বর্তমান সাংসদ ছিলেন গাজী ম.ম আমজাদ হোসেন মিলন। সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন আব্দুল মোমিন ম-ল। তিনি বর্তমান সাংসদ আব্দুল মজিদ ম-লের ছেলে। চট্টগ্রাম-৯ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। পিরোজপুর-১ আসনে পেয়েছেন আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম। মাগুরা-১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুজ্জামান শিখর। মৌলভীবাজার-৩ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন নেসার আহমেদ। ঢাকা-১৭ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন চিত্রনায়ক ফারুক।
দুজন চিঠি পেয়েছেন যেসব আসনে
কিছু আসনে দুজন সম্ভাব্য প্রার্থীকে মনোনয়নের চিঠি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জ-৪ আসনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ফরাসউদ্দিন ও মো. মাহবুব আলী যৌথ চিঠি পেয়েছেন। লক্ষীপুর-৩ আসনে মো. গোলাম ফারুক ও একেএম শাহজাহান কামাল চিঠি পেয়েছেন। কিশোরগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকায় বিকল্প প্রার্থী হিসেবে কৃষিবিদ মশিউর রহমান হুমায়ুনকেও মনোনয়নের চিঠি দেয়া হয়েছে।এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, কোনো কোনো আসনে মনোনয়নের চিঠি দুটিও দেয়া হয়েছে। এটি টেকনিক্যাল কারণে। সময় ও পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রার্থী বদলাতেও হতে পারে। অন্য প্রার্থী বেশি শক্তিশালী হলে দলের প্রার্থী বিবেচনা করা হবে।
প্রত্যাহারপত্রে প্রার্থীদের স্বাক্ষর
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের চিঠি বিতরণকালে প্রত্যেকের সই করা ‘উইথড্রয়াল লেটার’ রাখা হচ্ছে। এর ফলে প্রার্থী চাইলেও দলের প্রয়োজনে প্রার্থী প্রত্যাহার করতে পারবে দল। দলীয় প্রার্থীদের চিঠি দেয়া প্রসঙ্গে গতকাল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, অনানুষ্ঠানিকভাবে আজ (গতকাল) ২৩০ আসনে দল মনোনীত প্রার্থীদের চিঠি দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, তবে কোনো কোনো আসনে বিকল্প হিসেবে ২ জন অথবা ৩ জনকেও চিঠি দেয়া হচ্ছে। প্রত্যাহারের সময় এ ধরনের আসনগুলোতে প্রার্থী নির্দিষ্ট হবে। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের চিঠির সঙ্গে প্রত্যাহারের চিঠিতেও স্বাক্ষর নিয়ে রাখা হচ্ছে। আগামীকাল (আজ মঙ্গলবার) বিকাল সাড়ে ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে মহাজোটের শরিকদের নিয়ে একযোগে ৩০০ আসনের প্রার্থী ঘোষণা দেয়া হবে বলে জানান তিনি।
সূত্র : দৈনিক আমার সংবাদ
এই বিভাগের আরও সংবাদ