বুধবার ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

আব্বাস-হুদা-আফরোজা বৈধ

আকাশবার্তা ডেস্ক : 

ঢাকা-১৭ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস ও ঢাকা-৯ আসনের বিএনপির প্রার্থী আফরোজা আব্বাসের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার (০৮ডিসেম্বর) বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে চার কমিশন আপিল শুনানীতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

এর আগে মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল আবেদন করেন একই আসনের ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী রাশেদ খান মেনন। এর আগে ঢাকার রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই বাছায়ের সময় দন্ড থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করেন।

মেননের পক্ষে আব্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় তার হলফনামায় রাজনৈতিক দলের তথ্য নেই এবং স্ত্রীর সম্পদের তথ্যের সাথে মিল নেই।

আপিল শুনানীতে আব্বাসের প্রার্থীতা বৈধতা ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে, ঢাকা-২ আসনে বিএনপি চেযারপারসন আমান উল্লাহ আমান অবৈধ ঘোষণা দিযেছে ইসি। তার ছেলেকে ওই আসনে মনোনয়ন দিয়েছে। ঢাকা ২০ অাসনের বিএনপির প্রার্থী সুলতানা আহমেদ বৈধ।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২১ নভেম্বর নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে দলের সব স্তর থেকে বহিষ্কার করে বিএনপির স্থায়ী কমিটি। বিদেশ থাকায় সেদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। সে সময় নাজমুল হুদা ছিলেন বিএনপির ১ নম্বর ভাইস চেয়ারম্যান।

নাজমুল হুদাকে বহিষ্কার করার কয়েক মাস পর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি দুঃখ প্রকাশ করে আবার দলে ভেড়েন তিনি। এরপর ২০১২ সালের ৬ জুন তিনি নিজেই দল থেকে পদত্যাগ করেন। ওই বছরের ২৩ মে খালেদা জিয়াকে সংলাপে বসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রস্তাব দেওয়ার অনুরোধ জানালে সে অনুরোধ না রাখায় নিজেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন নাজমুল হুদা।

পরবর্তীতে ২০১২ সালের ১০ আগস্ট বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট (বিএনএফ) নামে একটি দল গঠন করেন তিনি। তবে কিছুদিনের মাথায় তাকে এ দল থেকেও বহিষ্কার করা হয়। তিন বছর বিরতি দিয়ে ২০১৫ সালে তৃণমূল বিএনপি নামের আরেকটি দল গঠন করেন সাবেক এই যোগাযোগ মন্ত্রী।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র নিয়েছিলেন। যদিও পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনে যে মনোনয়নপত্র তিনি দাখিল করেছেন, তাতে কোনো দলের নাম কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থী, কোনোটাই উল্লেখ করেননি। রিটার্নিং কর্মকর্তা এজন্যই তার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করলে নির্বাচন কমিশন তাকে শুনানির জন্য সময় দেয় ৮ ডিসেম্বর (শনিবার)।

এদিকে মির্জা আব্বাস ঢাকা-৮ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করে বৈধতা পেয়েছেন। কিন্তু সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল চেয়ে ইসিতে আপিল করেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০