নিজস্ব প্রতিবেদক :
নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসাবে আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন লক্ষ্মীপুর জজকোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী ও কমলনগর উপজেলা ১৪ দলীয় জোটের সভাপতি এ্যাড. আনোয়ারুল হক।
ব্যক্তি আনোয়ারুল হক সদালাপি একজন সাদা মনের মানুষ হিসাবে ব্যাপক পরিচিত। আইনজীবী পেশার পাশাপাশি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত দীর্ঘ সময় ধরে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারবর্গের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যাযজ্ঞের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতির মধ্যেও আনোয়ারুল হক ১৯৭৭ সালে বৃহত্তর রামগতি থানা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ সালে রামগতি থানা ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৮০ সালে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৮০ সালে আলেকজান্ডার কলেজ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ভিপি পদে প্রার্থী হন।
১৯৮১ সালে বিটিএন্ডটি বোর্ড বর্তমানে বিটিসিএলে কর্মজীবন শুরু করার পর সাংগঠনিকভাবে দক্ষতা ও সফলতার পরিচয় দেয়ায় জাতীয় শ্রমিকলীগের অন্তর্ভূক্ত সংগঠন টিএন্ডটি শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেল ইউনিয়ন কমিটির মহাসচিব হিসাবে ১৯৯৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। দ্বিতীয় শ্রম আদালত ঢাকার সদস্য এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় (টিসিসি) এর সদস্য ছিলেন। অঞ্চল ভিত্তিক সক্রিয় সংগঠন লক্ষ্মীপুর জেলা সমিতি ঢাকা এর ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করা এ্যাড. আনোয়ারুল হক বিএসএস (সন্মান), এমএসএস, এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি লাভ করেও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী পূর্ব রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনায় কমলনগর উপজেলার প্রধান সমন্বয়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০১ সালের ১ অক্টোবরের নির্বাচনের পর চার দলীয় জোট সরকারের সীমাহীন অত্যাচার নির্যাতনের পরও টিএন্ডটি ফেডারেল ইউনিয়ন (হামিদ-আনোয়ার) এর নেতৃত্বে আওয়ামী শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমসহ দলীয় সভা-সমাবেশে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন এ্যাড. আনোয়ারুল হক।
নৌকা প্রতীকে মনোনয়নের দৌড়ে আলোচনার শীর্ষে থাকা এ্যাড. আনোয়ারুল হক বিগত ৫ বছর সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল্যাহ আল মামুনের প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সুবাধে কমলনগর উপজেলার প্রতিটি প্রান্তে তিনি চষে বেড়িয়েছেন। দক্ষিণ চরমার্টিন চৌধুরী বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি, হাজীপাড়া আল আরাফাহ্ দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি এবং কমলনগর কলেজের গভর্ণিং বডির দায়িত্ব পালন করা আনোয়ারুল হক একজন শিক্ষাণুরাগী ব্যক্তি হিসাবে এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি ও সুনাম কুড়িয়েছেন।
পারিবারিকভাবেও এ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক একজন সফল ব্যক্তি। তাঁর জীবন বৃত্তান্ত থেকে জানা যায়- স্ত্রী মিসেস আমেনা বেগম বিএসএস (সন্মান), এমএসএস ডিগ্রি সম্পন্ন করে বিটিসিএলে কর্মরত। মেয়ে আইরিন পারভীন লুনা ফার্মাসিষ্ট (নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি), মেয়ে আফসানা পারভীন স্বর্ণা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার (নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি) এবং ছেলে এম আবীর হাসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মকান্ডের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। এ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক পেলে তিনি বিজয়ী হতে পারবেন।
জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশা প্রকাশ করে এ্যাড. আনোয়ারুল হক বলেন- দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত একটি সুন্দর সমাজ ও উপজেলা উপহার দিতে তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী ওয়াদা পূরণে সর্বদা সচেষ্ট থাকবেন।