আকাশবার্তা ডেস্ক :
ফেনী শহরের পৌরসভা সংলগ্ন আপ্যায়ন আফরোজ টাওয়ার। শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত এ ১৪ তলা ভবনটি ৯ চুলার অনুমোদন থাকলেও জ্বলে ৩২ চুলা। বহুতল ভবনটির প্রায় সবক’টি বাসায় অবৈধ সংযোগ পেয়ে বিস্মিত বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিডিসিএল) কর্মকর্তারা।
মঙ্গলবার (০৯ জুলাই) অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বিশেষ অভিযানে বেরিয়ে আসে গ্যাস লুটপাটের ভয়াবহ চিত্র।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা যায়, ফেনীতে বাখরাবাদের গ্যাস হরিলুট, বিলের টাকা কর্মকর্তা-দালালের পকেটে- অভিযানেও বন্ধ হয় না অবৈধ সংযোগ’ এ বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশ হলে শুরু হয় তোলপাড়। সংশ্লিষ্ট মহলে টনক নড়ে। সংবাদটি নজরে পড়ামাত্রই জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিকেলে বাখরাবাদের কুমিল্লা প্রধান কার্যালয়ের ভিজিলেন্স টিমের উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. রবিউল হকের নেতৃত্বে একটি টিম বিশেষ অভিযানে বের হয়। অভিযানে আপ্যায়ন আফরোজ টাওয়ারের দ্বিতীয় তলা পেছনের অংশের একটি কক্ষ থেকে ২৩টি অবৈধ চুলার সংযোগ পাওয়া যায়। এসময় বৈধ-অবৈধ ৩২টি চুলার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। অভিযানে ভিজিলেন্স টিমের ব্যবস্থাপক মো. আবু জাফর, উপ-ব্যবস্থাপক আবুল হাসেম ও মোজাম্মেল হক, সহকারী প্রকৌশলী সেলিম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন ছাড়াও ফেনী এরিয়া অফিস ব্যবস্থাপক মো. মহিবুর রহমান ও ব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস) সাহাব উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ওই ভবনের নবম তলায় ২০১৭ সাল থেকে সপরিবারে বসবাস করছেন ফেনী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর উৎপল কান্তি বৈদ্য। তিনি জানান, মঙ্গলবার দুপুরে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর জানতে পেরেছেন গ্যাসের সংযোগ অবৈধ। অথচ মালিকপক্ষের মাধ্যমে নিয়মিত বিল পরিশোধ করে আসছেন।
বিজিডিসিএল’র ফেনী এরিয়া অফিস ব্যবস্থাপক মো. মহিবুর রহমান জানান, গ্যাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে মাঠে রয়েছে বাখরাবাদ কর্তৃপক্ষ।
সূত্র : বাংলানিউজ