নিজস্ব প্রতিবেদক :
গত ০৫ জুন বুধবার বিকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১০নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন এলডিপির সাধারণ সম্পাদক মেহেরাব হোসেনকে না পেয়ে তার বসতবাড়ি ভাংচুর, স্বর্ণালংকার লুট ও একটি গৃহপালিত গরু জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায় সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা। এতে মেহেরাবের বৃদ্ধা মা’ বরকতি বেগম বাঁধা দিলে সন্ত্রাসীরা হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে তার হাত ভেঙ্গে দেয়। পরে পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয় একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় বলে মেহেরাবকে যেখানে পাওয়া যাবে, তাকে সেখানেই হত্যা করা হবে। এলডিপি নেতা মেহেরাব হোসেন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের শেখপুর গ্রামের মৃত নুর হোসেনের ছেলে।
ক্ষতিগ্রস্ত মেহেরাব হোসেনের বড় ভাই এ ব্যাপারে থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি।
আহত বরকতি বেগমের বড় ছেলে বাবুল হোসেন বলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি।
জানা যায়, স্থানীয় এলডিপি নেতা মেহেরাব হোসেন একই এলাকার সরকার দলীয় সন্ত্রাসী বাবলু শিকদারের জুলুম, অত্যাচার ও হামলা-মামলার শিকার হয়ে এবং হত্যার হুমকিতে দীর্ঘদিন যাবত নিজ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
এলডিপি নেতা মেহেরাব হোসেনের বৃদ্ধা মা’ বরকতি বেগম বলেন, একমাত্র রাজনৈতিক কারণে সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা পুলিশের পরোক্ষ সহযোগিতায় তাদের পরিবারের ওপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। নির্যাতিত বরকতি বেগম আরো জানান, তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
পুলিশ জানায়, সন্ত্রাসীরা সরকার দলীয় লোক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কিছুই করা সম্ভব নয়।
স্থানীয়রা জানায়, মেহেরাব হোসেন একজন ভালো সংগঠক হিসাবে এলডিপির সকল কর্মকান্ড সফলভাবে পালন করেন। যার কারণে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা তার উপর ক্ষিপ্ত হয়।