আকাশবার্তা ডেস্ক :
টাকার অভাবে মেডিকেলে ভর্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার রায়চোঁ গ্রামের পান্না আক্তারের। বিষয়টি ফেসবুকে দিয়ে মানবিক সহায়তা চেয়েছিল পান্না আক্তারের শিক্ষকরা। পান্না আক্তার ২০১৯ সালে হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাশ করে। এরপর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৬৭২তম স্থান লাভ করে। রায়চোঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তণ ছাত্রী পান্না আক্তারের বাবা মোঃ দুলাল একজন রিক্সা চালক। মা কোহিনূর বেগম একজন গৃহিনী। ৩ বোনের মধ্যে পান্না সবার ছোট।
এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় ৭৫.২৫ মার্ক পেয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করে পান্না। কিন্তু তাকে ভর্তি করানোর বা লেখাপড়া চালিয়ে নেওয়ার ন্যুনতম সামর্থ্য তার পরিবারের নেই।।
এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় সাংসদ, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনসহ সর্বস্তরের কাছে একটি মেধাকে সামনে এগিয়ে নেয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছিলেন পান্না আক্তারের শিক্ষকরা।
এদিকে বিষয়টি ছড়াছড়ি হলে নজরে আসে চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তী) আসনের সাংসদ মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি হাজীগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাছান রাব্বির মুঠোফোনে পান্না এবং পান্নার বাবা-মায়ের সাথে কথা বলে পড়ালেখার দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মুঠোফোনে পান্নাকে সাংসদ বলেন, ‘এখন থেকে আমি তোমাকে পড়াবো। তোমার পড়ালেখার দায়িত্ব আমার। ‘সাংসদ পান্নার বাবা-মা কে বলেন, ‘আপনার মেয়ে মেডিকেলে পড়ালেখার সকল দায়-দায়িত্ব আমি পালন করবো।’
অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে পান্না বলেন, বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠ সন্তান মেজর অবঃ রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এমপি মহোদয়ের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। এ দেশের স্বাধীনতার জন্য যিনি যুদ্ধ করেছেন এমন মহান ব্যক্তির সাথে কথা বলতে পেরে প্রাণ ভরে গেছে। আমি কথা বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করছি।
রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন।