রবিবার ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ
লাল ও কালচে লাল রঙের বড় আকারের এই পেঁয়াজটির ওজন ৩৫০ গ্রাম, প্রতিটির দাম ৭০ টাকা।। ছবি : মাসুদ মিলাদ

একটি পেঁয়াজের দাম ৪০ থেকে ৭০ টাকা

আকাশবার্তা ডেস্ক :

দাম বাড়ার পর একটি পেঁয়াজের দাম কত হতে পারে? ১০ টাকা। ২০ টাকা। না, আপনার ধারণা ঠিক নয়। যাঁরা নিয়মিত বাজার-সদাই করেন, তাঁরা কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারেন। বাজারে বড় আকারের একটি পেঁয়াজের দাম এখন ৪০ থেকে ৭০ টাকা।

বড় আকারের এই পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে চীন ও মিসর থেকে। লাল বা কালচে লাল রঙের একেকটি পেঁয়াজের ওজন ২০০ থেকে ৩৫০ গ্রাম পর্যন্ত। কেজিপ্রতি ২০০ টাকা দাম হিসাব করে বড় আকারের একটি পেঁয়াজের দাম পড়ছে ৪০ থেকে ৭০ টাকা। এ রকম বড় আকারের তিন থেকে পাঁচটি পেঁয়াজের ওজন মিলিয়ে এক কেজি হয়।

চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী সড়কের আলী স্টোরের বিক্রেতা মো. রফিক জানান, প্রতি বস্তায় ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রাম ওজনের বড় আকারের কিছু পেঁয়াজ থাকে। তবে বেশির ভাগই ২০০ থেকে ২৮০ গ্রাম ওজনের।

বাজারে এখন মিয়ানমারের মাঝারি আকারের যেসব পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে সেগুলোর একেকটির ওজন ২০ থেকে ২২ গ্রাম। এ হিসাবে মিয়ানমারের ১০ থেকে ১৬টি পেঁয়াজের সমান ওজন চীন বা মিসরের একটি পেঁয়াজের। ভারত রপ্তানি বন্ধের আগে দেশে মাঝারি আকারের ভারতীয় পেঁয়াজ এবং ছোট আকারের দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ ছিল বাজারে।

লাল রং ছাড়াও হলুদ রঙের গোলাকার পেঁয়াজ আসছে চীন থেকে। একেকটি পেঁয়াজের ওজন ৭০ থেকে ১২০ গ্রাম। এ হিসাবে ১২-১৪টি পেঁয়াজে এক কেজি হয়। এ ধরনের পেঁয়াজের সরবরাহ কম।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা যায়, ভারত রপ্তানি বন্ধের পর গত দেড় মাসে বন্দর দিয়ে মিসর থেকে ৩ হাজার ৩০৬ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। চীন থেকে আমদানি হয়েছে ৮৭৬ টন। মিসর থেকে আমদানি হওয়া বড় আকারের পেঁয়াজ একটু চ্যাপ্টা। চীনের পেঁয়াজ আকারে লম্বা।

পেঁয়াজ খালাসের আগে পোকামাকড় ও মান পরীক্ষা করে উদ্ভিদ সংঘ নিরোধ কেন্দ্র। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের সংঘ নিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক আসাদুজ্জামান বুলবুল বলেন, চীন ও মিসর থেকে যেসব পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে তা আকারে বড়। তবে মান ভালো। এই দুই দেশ থেকে বড় আকারের পেঁয়াজই বেশি আসছে। পেঁয়াজ আমদানিতে বিকল্প দেশের সংখ্যা যত বাড়ছে, বৈচিত্র্যও তত বাড়ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে মিসর ও চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি করেছে ১৯টি প্রতিষ্ঠান। এসব দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে ঢাকার তাশো এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা অংশীদার সেলিমুল হক প্রথম আলোকে বলেন, একেক দেশের পেঁয়াজ দেখতে একেক রকম। মিসর ও চীনে বড় আকারের পেঁয়াজ যেমন আছে, তেমনি মাঝারি আকারের পেঁয়াজও উৎপাদন হয়।

খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, মিসর ও চীনের বড় আকারের পেঁয়াজের সরবরাহ এখনো কম। আড়তে সব দোকানে নেই বড় আকারের পেঁয়াজ।

এদিকে কুমিল্লা থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক গাজীউল হক জানান, কুমিল্লায় প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা থেকে ২২০ টাকায়। নগরের রাজগঞ্জ বাজারের রতন স্টোরে তিনটি পেঁয়াজের ওজন হয়েছে ১ হাজার ২০০ গ্রাম। ওই হিসাবে একটি পেঁয়াজের দাম পড়ে ৭২ টাকা।

দোকানের স্বত্বাধিকারী রতন মজুমদার বলেন, ‘বড় আকারের পেঁয়াজগুলো মিসর থেকে এসেছে। একেকটির ওজন প্রায় আধা কেজির মতো। বেশি দামে কিনলে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।’ তিনি আরও বলেন, দুই দিন আগে বড় আকারের ওই পেঁয়াজ একই দোকানে কেজিপ্রতি ১১০ টাকায় বিক্রি হয়। দুই দিনের ব্যবধানে একলাফেই কেজিতে ৭০ টাকা বেড়েছে। এদিকে আশপাশের অন্য দোকানে ২২০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা গেছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০