রবিবার ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

কয়েন নিয়ে বিপাকে জনগণ ও ব্যবসায়ীরা

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় দীর্ঘদিন যাবৎ ১ ও ২ টাকা মূল্যের কয়েন (ধাতব মুদ্রা) অচলের পথে। আর তাই নবীনগরে ১ ও ২ টাকা মূল্যের কয়েনের দেখা নেই বললেই চলে। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের। ভিক্ষুকও এখন আর ১ ও ২ টাকার কয়েন নিচ্ছেন না।

পার্শ্ববর্তী মুরাদনগর, ব্ঞ্ছারামপুর, কসবা ও রায়পুরা উপজেলায় ১ ও ২ টাকা মূল্যের কয়েন চললেও নবীনগরে অচলের পথে।

২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি সচিবালয়ে ‘ভ্যাট সংশোধন আইন’ সংক্রান্ত বৈঠকে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আগামীতে ৫ টাকা ছাড়া কোন মুদ্রা না রাখার চিন্তা ভাবনা করছে সরকার। নতুন ৫ টাকার মুদ্রা বাজারে ছাড়া হবে এবং তার আগে ৫ টাকা মানের মুদ্রার নিচে যে মুদ্রা আছে (১ ও ২ টাকা) সেগুলো বাজার থেকে তুলে নেওয়া হবে।

খবরটি নবীনগরে সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে তখন থেকেই ১ ও ২ টাকার কয়েন দিয়ে ক্রেতা বা বিক্রেতা লেনদেনে বিরত থাকেন।

ব্যাংকগুলোতে প্রথম দিকে ১ ও ২ টাকার কয়েন নিতে অস্বীকৃতি জানালে ব্যবসায়ীদের মাঝে হতাশা সৃষ্টি হয়। সেই থেকে ১ ও ২ টাকা কয়েন নিয়ে প্রায়ই ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মাঝে কথা কাটাকাটি থেকে ঝগড়াও হয়েছে। এতে ভোগান্তি হচ্ছে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের।

অনেকে আবার নবীনগর থেকে ১ টাকা ও ২ টাকার কয়েন স্বল্পমূল্যে বা অর্ধেক দামে কিনে পার্শ্ববর্তী উপজেলায় গিয়ে লেনদেন করছেন।

নৌকাঘাটের ব্যবসায়ী মুসা মিয়া বলেন, ‘অহন ১ টেহা ও ২ টেহার পুইসা চলে না, এতে কইরা কাস্টমারের লগে অনেক সময় কতা কাডাকাডি অয়’।

নবীনগর বড় বাজারের মুদি দোকানি বলেন, ‘আগে ব্যাংকে ১ টেহা ও ২ টেহার পুইসা নিতো অহন নেনা যেই কারণে আমরাও নেই না। আবার কোন কোন ব্যাবসয়ী ১ টাকার চকলেট দিয়ে দেনা পরিশোধ করে।’

কাজী টুটুল নামে একজন ক্রেতা বলেন, ‘এখন ৪/৯ টাকার দামের কোন কিছু কিনলে দোকানিরা ১০/৫ টাকা রেখে দেয়। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবৎ কয়েন সমস্যায় ভুগলেও প্রতিকার হচ্ছে না। দ্রুত নবীনগরের কয়েন সমস্যার সমাধানের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় ও সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।’

নবীনগর বাজারের ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম জনি বলেন, ব্যবসায়ীরা এখন ১ ও ২ টাকার কয়েন নিতে চায় না এবং আমি নিজেই ব্যাংকে গিয়েছিলাম, সেখান থেকে বলেছে অল্প পরিমাণ কয়েন হলে নেওয়া যাবে বেশি নেওয়া যাবে না।

এ তথ্যের বাস্তবতা যাচাই করতে এ প্রতিনিধি ২/৩ টি ব্যাংকে যোগাযোগ করলে ব্যাংকের ব্যবস্থাপকরা জানান, অল্প পরিমাণ কয়েন হলে নিতে কোন সমস্যা নেই, আমরা নিচ্ছি কিন্তু কেউ যদি ২-৩ হাজার টাকার কয়েন একসাথে নিয়ে আসে আমাদের সমস্যা হয়ে যায়, বহন করতে কষ্ট হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি বিভিন্ন মাধ্যমে অবগত হয়েছি এবং কয়েক মাস আগে আমি সবগুলো ব্যাংকে চিঠি দিয়ে অবগত করেছি, কোন গ্রাহক যাতে ১ ও ২ টাকার কয়েন নিয়ে হয়রানির শিকার না হয়।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০