আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
এবার পুলিশ কোয়ার্টারে এক তরুণীকে সর্বনাশের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, ওই তরুণীকে লিফট দেয়ার কথা বলে পুলিশ কোয়ার্টারে নিয়ে যায় ধর্ষকরা। এরপর তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পুলিশকর্মীসহ আরও কয়েকজন। ভারতের ওডিশার মন্দির শহর পুরীতে এই ঘটনা ঘটেছে।
লিখিত অভিযোগে ওই তরুণী জানান, মোট দুজন মিলে তার সর্বনাশ করেছে। তাদের একজন খোদ পুলিশকর্মী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২ নভেম্বর) পুরীর নিমাপাড়া বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়েছিলেন ওই তরুণী। বাসের জন্য অপেক্ষা করার সময় এক ব্যক্তি তাকে লিফট দিতে চায়। ওই ব্যক্তিই ছিলেন একজন পুলিশকর্মী, দাবি ধর্ষিতার।
ভুক্তভোগী ওই তরুণী বলেন, ভুবনেশ্বর থেকে কাকাতপুর গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলাম। আমি ওই ব্যক্তিকে বিশ্বাস করে গাড়িতে উঠেছিলাম। গাড়িতে উঠে দেখি আরও তিনজন ভেতরে বসে আছে।
পরে গাড়িটি কাকাতপুরের দিকে না গিয়ে দেখলাম পুরী শহরের দিকে ছুটছে। ওই চারজন জোর করে আমাকে একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে দুজন আমাকে ধর্ষণ করে। পরে তিনি জানতে পারেন পুরীর ঝান্ডেশ্বরী ক্লাবের কাছে ওই বাড়িটি একটি পুলিশ কোর্য়াটার।
ধর্ষণের সময় এক অভিযুক্তের ওয়ালেট ধরে টান মারেন ওই তরুণী। পরে ওই ওয়ালেটে থাকা আইডি কার্ড দেখে তিনি জানতে পারেন, ধর্ষকদের একজন পুলিশকর্মী। সেই আইডি কার্ডের সূত্রেই এক অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা গেছে। অপরজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
ওডিশা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, অভিযুক্তদের একজন পুলিশ কনস্টেবল। তাকে ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড করা হয়েছে। গ্রেপ্তারও হয়েছে ওই কনস্টেবল।
পুরীর পুলিশ সুপার উমাশংকর দাস জানান, অভিযুক্ত আরও একজনকে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই দুটি স্পেশ্যাল স্কোয়াড তৈরি হয়েছে।