শুক্রবার ২৯শে মে, ২০২৬ ইং ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা

পাকিস্তান-আফগানিস্তান শান্তি সংলাপ ভেস্তে গেলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের শান্তি সংলাপ কোনো চুক্তি বা সমঝোতা ছাড়াই ভেস্তে গেছে। শনিবার (৮ নভেম্বর) পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ জিও নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সংলাপ সম্পূর্ণভাবে “অচলাবস্থায়” পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, একটা পরিপূর্ণ অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আমাদের সংলাপ অনির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছেছে, এর আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই।

গত বৃহস্পতিবার ইস্তাম্বুলে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সরকারি প্রতিনিধিরা তৃতীয় দফায় সংলাপে বসেছিলেন। আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর। তবে প্রত্যাশিত চুক্তি ছাড়াই সংলাপ শেষ হয়।

কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। দুই দেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে খাজা আসিফ বলেন, আমরা সন্ত্রাস দমন এবং সীমান্ত নিরাপত্তায় আফগানিস্তানের সহযোগিতা চেয়েছিলাম, এবং কাতার-তুরস্ক আমাদের অবস্থানকে সমর্থন করেছে। এমনকি আফগান প্রতিনিধিরাও মৌখিকভাবে সম্মতি জানিয়েছিলেন। কিন্তু যখনই চুক্তি স্বাক্ষরের প্রসঙ্গ উঠল, তারা পিছু হটে গেলেন।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, কোনো আন্তর্জাতিক আলোচনা কি লিখিত চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক ছাড়া হতে পারে?

খাজা আসিফ বলেন, আমাদের একমাত্র দাবি ছিল, আফগানিস্তানের ভূখণ্ড যেন পাকিস্তানে হামলার জন্য ব্যবহার না হয়। কাবুল সেই নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। ভবিষ্যতে যদি আফগান ভূখণ্ড থেকে কোনো হামলা হয়, আমরা তার যথাযথ জবাব দেবো।

২০২১ সালে তালেবান কাবুল দখলের পর থেকেই পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্কের অবনতি ঘটে। দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মূল কারণ তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। এই সশস্ত্র গোষ্ঠী পাকিস্তানে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে কয়েক হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।

পাকিস্তানের অভিযোগ, কাবুলের তালেবান সরকার টিটিপিকে আশ্রয় ও মদত দিচ্ছে। গত ৯ অক্টোবর টিটিপির শীর্ষ নেতা নূর ওয়ালি মেহসুদসহ কয়েকজনকে হত্যা করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। এর পাল্টা জবাবে আফগান সেনারা ১১ অক্টোবর সীমান্তবর্তী চৌকিতে হামলা চালায়, যা চার দিন ধরে চলে।

এরপর ১৫ অক্টোবর কাতারের দোহায় শান্তি সংলাপের উদ্যোগ নেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে ইস্তাম্বুলে স্থানান্তরিত হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সংলাপ কোনো অগ্রগতি ছাড়াই ভেস্তে যায়।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মে ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১