আকাশবার্তা ডেস্ক :
দুর্নীতির অভিযোগের পর প্রমাণ পাওয়ায় সরকারদলীয় সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম এ আউয়ালের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত করে এর সত্যতা পাওয়ায় স্ত্রীসহ তার দেশত্যাগ ঠেকাতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে দুদক।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকালে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার মুখার্জী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক এই সাংসদের বিরুদ্ধে ভুয়া মালিক সাজিয়ে সরকারি জমি দখল করে ভবন তৈরিসহ তিনটি মামলার অনুমোদন দেয় দুদক। একটি মামলায় আউয়ালের সঙ্গে তার স্ত্রী লায়লা পারভীনকেও আসামি করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
আউয়ালের বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যহারের মাধ্যমে কাল্পনিক ও ভুয়া ছয় ব্যক্তিকে ভূমিহীন দেখিয়ে একটি বড় রকমের দুর্নীতি করার পাওয়া পাওয়া যায়।
ওই ভুয়া ছয় ব্যক্তিকে ভূমিহীন দেখিয়ে তাদের নামে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় ১৩ শতাংশ সরকারি খাস জমি নিজের দখলে নেন। পরে সেখানে তিনি তিনতলা বাড়ি বানিয়ে পল্লী বিদ্যুৎকে ভাড়া দেন।
জালিয়াতির এ ঘটনার অনুসন্ধানের পর স্থানীয় এসি ল্যান্ড দুদক কর্মকর্তাকে বলেছেন, তিনি ওই ছয় ব্যক্তির অস্তিত্ব খুঁজে পাননি।
অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, ছয় ব্যক্তির অস্তিত্ব না থাকলেও সাবেক এমপি আউয়ালের স্ত্রী লায়লা পরভীনের নামে বাড়ির বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত সব ধরনের প্রমাণ পাওয়ার পর দুদক অনুসন্ধান শেষ করে মামলার সুপারিশ করেছে।