রবিবার ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

ফেসবুকে বিজ্ঞাপন-কেনাকাটায় শৃঙ্খলা ফেরাতে দুই মন্ত্রণালয়কে নোটিশ

প্রযুক্তি ডেস্ক :

সামাজিক যোগাযোগো মাধ্যম ফেসবুক বা অনলাইনের লোভনীয় বিজ্ঞাপন ও অফার বন্ধ এবং কেনাকাটায় শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করতে অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

নোটিশ পাওয়ার পর ১ সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা না হলে সরকারের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে উল্লেখ করা হয় নোটিশে।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম জনস্বার্থে এ নোটিশ পাঠান। পরে তিনি বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

নোটিশে বলা হয়, ইদানীং ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ বা গ্রুপের মাধ্যমে কেনাকাটা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই ব্যক্তি উদ্যোগে পেজ খুলে ব্যবসা করছেন। ফেসবুকে কেনাকাটা করতে গিয়ে অনেক গ্রাহক মানহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য পাচ্ছেন। তারা সঠিক কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না।

আইনজীবী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে যে যার মতো ব্যবসা করে যাচ্ছে। যার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন করলেও এই সুযোগে অন্যরা নিবন্ধন ছাড়াই ব্যবসা করে যাচ্ছে। এতে সরকার কর পাচ্ছে না। আবার গ্রাহকরা প্রতারিত হচ্ছেন। এসবের কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। তাই লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অনলাইনে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে অসচেতনতায় চটকদার, আকর্ষণীয়, লোভনীয় বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখেই হুট করে পণ্য কিনে ঠকছেন অনেক ক্রেতা। সেখানে প্রতিষ্ঠান, মালিকের নাম-ঠিকানা, ওয়েবসাইটে ট্রেড লাইসেন্সের কপি থাকলে তার নিবন্ধন নম্বর কত তা জেনে কেনাকাটা করতে হয়। এসব না জানা থাকায় অসচেতন ক্রেতারা পণ্য কিনে ঠকছেন। অনেক ব্যবসায়ীর ঠিকানা না থাকায় অভিযোগ করতে পারছেন না। প্রতারক ব্যবসায়ীরা হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা।

আইনজীবী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এছাড়াও অনলাইনে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পণ্য কিনতে কোনো বিকাশ নম্বরে মূল্য পরিশোধ করতে বললে নম্বরটি একাধিক নম্বর থেকে ফোন করে যাচাই করে নেয়া উচিত। আর কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য কিনতে বললে নির্দিষ্টভাবে পণ্য সরবরাহ যেন করা হয় এবং কেনার রসিদ দেয়া হয় তা খেয়াল রাখতে হবে। যেকোনো পণ্য কেনার ক্ষেত্রে আগে পণ্য সরবরাহ করে এবং তা পাওয়ার পর বিক্রয় প্রতিনিধিকে সরাসরি মূল্য পরিশোধ করা যায় এমন ওয়েবসাইট বা মাধ্যমগুলো নির্ভর করা উচিত।

তিনি বলেন, অনলাইনে কোনো পণ্য কিনলে পণ্য বাবদ ক্রয়-রসিদের স্ক্যান কপি, পণ্যের সঙ্গে মূলকপি পাঠানো দরকার। পণ্যটি কীভাবে পাঠানো হবে এবং কোন মাধ্যমে তা আগেভাগেই নিশ্চিত হওয়া উচিত। কোনো ক্রেতা প্রতারণার স্বীকার হলে আইনের আশ্রয় নিতে গেলে কিন্তু প্রমাণ থাকা চাই। এসব না জেনে জনসাধারণ ঠকছে। আর নিবন্ধন না থাকায় কিছু কিছু অনলাইন ব্যবসায়ী সরকারের কর ফাঁকি দিয়ে যাচ্ছে। তারও প্রতিকার দরকার।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০