আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
সম্প্রতি এক শিক্ষিকাকে হাঁটুতে দড়ি বেধে হেনস্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার নেপথ্যে জানা গেছে, সড়ক নির্মাণের পরিধি বাড়াতে বাড়ির ১২ ফুট জায়গা ছেড়ে দেন ওই শিক্ষিকা। তবে স্থানীয় পঞ্চায়েত আরো ১২ ফুট অতিরিক্ত জায়গা চান তার কাছ থেকে।
এতে রাজি না হওয়ায় বল প্রয়োগ করতে থাকে ওই নেতা। পরে শিক্ষিকা প্রতিবাদ করায় তার হাঁটুতে দড়ি বেঁধে টেনে হিঁচড়ে তাকে হেনস্তা করা হয়।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।
আর এ ঘটনার সম্পূর্ণ দায়ভার রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত নেতা অমল সরকারের বলে দাবি করেছেন ওই শিক্ষিকা। এমন খবর জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
সংবাদমাধ্যমটি জানায়, বাড়ির সামনের সড়ক বাড়াতে ১২ ফুট জায়গা ছেড়ে দিতে স্মৃতিকণা ও সোমাকে বলা হয়েছিল। এতে ১২ ফুট জায়গা ছেড়ে দিতে রাজিও হয়েছিলেন তারা। পরে আচমকাই ২৪ ফুট জায়গা অধিগ্রহণ করার নির্দেশ দেন স্থানীয় পঞ্চায়েত নেতা অমল সরকার। পরে বাড়তি জায়গা অধিগ্রহণের ব্যাপারে নারীরা প্রতিবাদ করেন। এতে অমল সরকারের নির্দেশে তার কর্মীরা দুই বোনের মধ্যে এক শিক্ষিকার হাঁটুতে দড়ি বেঁধে টেনে হিঁচড়ে হেনস্তা করে।
এদিকে, এ ঘটনায় পঞ্চায়েত নেতা অমল সরকারকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূলের জেলা প্রধান অর্পিতা ঘোষ। তবে রোববার গভীর রাত পর্যন্ত এ ঘটনায় করা মামলায় কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।