আকাশবার্তা ডেস্ক :
একের পর এক স্প্যান বসানোয় দৈর্ঘ্য বেড়ে চলছে স্বপ্নের পদ্মাসেতুর। গাড়ি ও ট্রেনে চড়ে পদ্মা পাড়ি দেয়ার স্বপ্ন এখন ধীরে ধীরে বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।
পদ্মাসেতুর মোট দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। ৪১ টি স্প্যান দিয়ে তৈরি হবে এই সেতু। পদ্মাসেতুর ৩১তম স্প্যান ৫এ সফলভাবে বসানো হয়েছে। দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের সহায়তায় বুধবার (১০ জুন) বিকেল ৪টায় এটি জাজিরা প্রান্তের ২৫ ও ২৬ নং পিলালের উপর বসানো হয়।
এটি বসানোর ফলে পদ্মাসেতুর ৪ হাজার ৬৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে। ৩১তম স্প্যানটিই ছিল জাজিরা প্রান্তের সর্ব শেষ স্প্যান। এ স্প্যানটি মাওয়া ও জাজিরাকে সংযুক্ত করেছে। এখন বাকী থাকল মাওয়া প্রান্তের আর ১০টি স্প্যান। এ ১০টি স্প্যান বসলেই দেখা যাবে পুরো পদ্মাসেতু।
পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, করোনার মধ্যেও পদ্মাসেতুর কাজ থেমে নেই। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এগিয়ে চলছে পদ্মাসেতুর কাজ। ৩১তম স্প্যান সুষ্ঠুভাবে বসানো হয়েছে। আর বাকি মাত্র ১০টি।
গত ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মূল সেতুর কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৮৭ ভাগ। নদী শাসনের কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৭১ ভাগ। আর সেতুর সার্বিক কাজের অত্রগতি হয়েছে ৭৯ ভাগ।
সেতুতে ২ হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে এবং ২ হাজার ৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে। বর্তমানে রেলওয়ে স্ল্যাব বসেছে ১১০৫ টি ও রোডওয়ে স্ল্যাব ৬৩০টি বসানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মূলসেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।
৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।