আকাশবার্তা ডেস্ক :
যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান সুমন ২০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
অস্ত্র আইনের ১৯ এর ‘এ’ ধরায় অবৈধ অস্ত্র রাখার দায়ে পাপিয়া ও সুমনকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
আর ১৯ এর ‘এফ’ ধারায় অবৈধভাবে গুলি রাখার দায়ে দেয়া হয়েছে ৭ বছরের কারাদণ্ড। দুই ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে বলে এই দম্পতিকে মোট ২০ বছেরের সাজাই খাটতে হবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করেন। পাপিয়া দম্পতির বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে অস্ত্র আইনের মামলার আজ ঘোষণা করা হলো।
রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলায় পাপিয়া ও সুমনের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চেয়েছিল। রায়ে বিচারক বলেছেন, পাপিয়া নারী বলে তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়নি। তার স্বামীকেও একই শাস্তি দেয়া হয়েছে।
রায়ে আদালত বলেছেন, আসামিরা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও তাঁদের সজ্জন রাজনৈতিক নেতা বলা যায় না। তাঁদের ভাড়া করা ফ্ল্যাটে ৫৮ লাখ টাকা পাওয়া যায়। আরও পাওয়া যায় বিদেশি পিস্তল।
রায় ঘোষণা উপলক্ষে পাপিয়া ও তাঁর স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ২২ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দুই নম্বর বহির্গমন টার্মিনালের ছয় নম্বর স্টাফ গেটের সামনে থেকে পাপিয়া দম্পতিকে আটক করা হয়।
দেহ তল্লাশি করে পাপিয়ার কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, নগদ অর্থ, জাল নোট; পাপিয়ার স্বামী মফিজুর রহমানের কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, নগদ অর্থ ও বিদেশি অর্থ; সহযোগী আসামি সাব্বির খন্দকারের কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, নগদ অর্থ, জাল নোট; শেখ তাইবা নূরের কাছ থেকে একটি পাসপোর্ট, নগদ অর্থ ও দুটি ডেবিট কার্ড উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।