আকাশবার্তা ডেস্ক :
সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। করোনা ঠেকাতে মাস্ক পরা কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু মাস্ক পরার ব্যাপারে মানুষের মধ্যে একেবারেই অনীহা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মনে হচ্ছে করোনা নিয়ে কারো কোনো মাথাব্যথা নেই।
করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে খুলনা জেলা প্রশাসন। মাস্ক না পরে বাইরে বের হওয়া ব্যক্তিদের আটক ও জরিমানা করা হচ্ছে।
সোমবার (৯ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে খুলনা নগরের দুইটি স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রথম এক ঘণ্টাতেই অর্ধশতাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ৮ জনের সাড়ে ৬ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছে।
খুলনা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুপ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেয়া হয়েছে। জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক অনুযায়ী মাস্ক না পরে ঘর থেকে বের হওয়া ব্যক্তিদের কারাদণ্ড দেয়া হবে।
এর আগে প্রথম পর্যায়ে সংক্রমণ ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অনেককে জরিমানা করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে মানুষের মধ্যে সচেতনতা আসেনি। এ কারণেই এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাস্ক না পরে বাইরে আসা ব্যক্তিদের প্রাথমিকভাবে আটক করা হচ্ছে। পরে তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
এদিকে সমপ্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘সবার মুখে মাস্ক পরা এই সময়ে অত্যন্ত জরুরি। এ কারণে দেশে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা পর্যন্ত সবার মুখে মাস্ক পরাটা বাধ্যতামূলক করতে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কাজেই দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে হলে এই মুহূর্তে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই।’