শুক্রবার ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

১২ নভেম্বর নিহতের স্মরণে পালিত হচ্ছে “উপকূল দিবস’’

আকাশবার্তা ডেস্ক :

১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর মহাপ্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের “সাইক্লোন ভোলা’’ আঘাতে বাংলাদেশের উপকূলে লাখ লাখ মানুষ নিহতের স্মরণে আজ বৃহস্পতিবার উপকূলীয় জেলাগুলোতে পালিত হচ্ছে, উপকূল দিবস। ১৯৭০ সালের এদিনে জলোচ্ছ্বাসে দ্বীপ জেলা ভোলা এবং সাবেক নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুরসহ উপকূলীয় অঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ে ব্যাপক প্রাণহানী ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে।

সেই স্মৃতি নিয়ে আজো যারা বেঁচে আছেন অথবা আত্মীয় স্বজন হারিয়েছেন, তারা বিভীষিকাময় এ দিনটির কথা মনে করেই আতঙ্কে শিউরিত হন। এ দিনকে উপকূল দিবস ঘোষণা চেয়ে গতবছর থেকে উপকূল জুড়ে দিবসটি পালন করছে বিভিন্ন স্থানীয় সংগঠন। দিবসটির প্রথম প্রস্তাবক উপকূল সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম মন্টু। আজ উপকূল জুড়ে পালিত হচ্ছে ৪র্থ উপকূল দিবস। লক্ষ্মীপুরের কমলনগর, রামগতি এবং রায়পুরে এ দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

পালনকালে আলোচনা সভা, সেমিনার, কোরআনখানি ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে বিশেষ দোয়া, মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হচ্ছে। জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা ২০১৭ সালের ১৮ মে ঝড়টিকে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতি ঝড় হিসেবে ঘোষণা দেয়।

ধারণা করা হয়, প্রলয়ংকারী এ দুর্যোগে প্রায় ১০ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়ে ছিল। কিন্তু তৎকালীন বিভিন্ন বিশ্ব মিডিয়া ৩ থেকে ৫ লাখ লোক নিহত হওয়ার খবর প্রচারিত হয়। এর মধ্যে ভোলা জেলাতেই সর্বাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ঝড়টির নাম ছিল ‘‘ভোলা সাইক্লোন’’।

লক্ষ্মীপুরের সাবেক রামগতির চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ৮ থেকে ১০ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। স্রোতে ভেসে যায় নারী শিশু ও বৃদ্ধসহ অসংখ্য মানুষ। সে রাতে এ জেলার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড় আর জলোচ্ছ্বাসে রামগতির মেঘনা উপকূলীয় চরআবদুল্লাহ বর্তমান কমলনগরের ভুলুয়ানদী উপকূলীয় চরকাদিরা, নোয়াখালীর হাতিয়াসহ, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় এটি হানা দেয়। চারদিকে লাশ আর লাশ, লাশের গন্ধে মানুষ কাছে যেতে পারেনি। ৩-১০ ফুটের জলোচ্ছাসের কারণে মাটি দেয়া যায়নি মৃত মানুষগুলোকে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০