বুধবার ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

‘হেফাজতে ইসলাম’ ইসলাম ধর্মকে কলঙ্কিত করেছে : হাক্কানী আলেম সমাজ

আকাশবার্তা ডেস্ক :

হেফাজতে ইসলাম তাদের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইসলামকে কলঙ্কিত করেছে বলে মন্তব্য করেছে হাক্কানী আলেম সমাজ। সেইসাথে কতিপয় হেফাজত নেতাকে ইসলামে গর্হিত কর্মকাণ্ডের প্রশ্রয়দাতা কথিত আলেম নামের ধর্ম ব্যবসায়ী হিসেবে বর্ণনা করে তাদের পরিত্যাগ করতে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান তারা।

বুধবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাক্কানী আলেম নেতৃবৃন্দ এসকল কথা বলেন।

হাক্কানী আলেম সমাজের পক্ষে মুফতি এহসানুল হক আল মোজাদ্দেদী লিখিত বক্তব্যে বলেন, গণমাধ্যমের সাহায্যে আমরা প্রিয় দেশবাসীকে জানাতে চাই, হেফাজতে ইসলাম তাদের অভ্যূদয়ের শুরু থেকে যেভাবে পবিত্র ধর্ম ইসলামের ক্ষতি ও ইসলামকে একের পর এক কলঙ্কিত করে আসছে, এতে মুসলিম মিল্লাত অত্যন্ত ব্যথিত, দু:খিত, লজ্জিত ও হতভম্ব। কারণ, মার্চ মাসের ২৫ থেকে ২৮ তারিখ যেভাবে তারা সরকারি ও বেসরকারি মূল্যবান স্থাপনা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ভস্মীভূত করে দিয়েছে এবং মানুষের জানমালের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে, তা ইসলাম কখনো সমর্থন করে না।

তিনি বলেন, সম্প্রতি হেফাজতের এক নেতা নারায়ণগঞ্জ রয়েল রিসোর্টে পরনারী নিয়ে যেভাবে আনন্দে মেতে উঠেছিল, তা অত্যন্ত লজ্জাকর বিষয়। বর্তমানে তিনিসহ যে সকল ধর্ম ব্যবসায়ী প্রশাসনের হাতে আটক আছেন, প্রত্যেকেই ইসলামদ্রোহী ও রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ডে জড়িত।

বিভিন্ন কওমী মাদ্রাসার ছাত্রদের বলৎকারের চিত্র যেভাবে প্রকাশ পাচ্ছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও জঘন্যতম অপরাধ’ উল্লেখ করে বক্তব্যে বলা হয়, অতীত ইতিহাস এবং কোরআন ও হাদীদের মাধ্যমে প্রায় সকল মুসলিম অবগত যে, বলাৎকারের দরুণ কওম লুতকে মহান আল্লাহ ধ্বংস করেছেন, যার নিদর্শন এখনো বিরাজমান, যাকে আমরা ডেড সি হিসেবে জানি।

মুফতি ড. এ কে আব্দুল মমিন সিরাজী বলেন, কেউ কেউ এ অপরাধীদের আটকের নিন্দা জানিয়ে বলেছেন তারা ধর্মীয় নেতা কিন্তু মূলত: তারা ধর্মের লেবাসধারী। তারা কুপমন্ডকতার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মকে কলংকিত করেছে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে। ইসলাম ও রাষ্ট্রীয় আইনে এ সমস্ত ধোঁকাবাজ, প্রতারক ও মিথ্যুকদের বিচার হওয়া প্রয়োজন।

প্রশাসন তাদের অন্যায়, মিথ্যা ও প্রতারণার বিরুদ্ধে বিচারের মুখোমুখি করতে যেভাবে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, সেই অভিযানােক আমরা সাধুবাদ জানাই উল্লেখ করে মুফতি এহসানুল হক বলেন, ইসলামে গর্হিত কর্মকাণ্ডের প্রশ্রয়দাতা হেফাজতের কথিত আলেম নামের ধর্ম ব্যবসায়ীদের পরিত্যাগ করতে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানাই।

ড. কফিল উদ্দীন সরকার সালেহী, মাওলানা মহিউদ্দিন ফারুকীসহ মুফতি ও আলেমবৃন্দ এদময় উপস্থিত ছিলেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০