প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের হাতে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি হচ্ছে। এই উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগকে আবারো সরকার গঠন করতে হবে। দেশবাসীকে বলবো, আওয়ামী লীগকে আবারও দেশসেবা করার সুযোগ দিন।
জাতির পিতার আদর্শে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার আদর্শের সৈনিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলুন। দেশের সেবা করুন, মানুষের সেবা করুন। কী পেলাম বা না পেলাম- সেটি বড় কথা নয়। দেশকে, মানুষকে কী দিতে পারলাম- সেটিই বড় কথা। জাতির পিতার আদর্শে দেশের সেবা করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি রুখতে ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে জানিয়ে এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ সারাবিশ্বের কাছে উদীয়মান সূর্য। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। কিন্তু আমি জানি, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এখনও অনেক ষড়যন্ত্র চলছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি, পদলেহনকারী ও তাদের দালালদের অভাব নেই। তারা ষড়ডযন্ত্র করছে, করবেই। আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে।
তিনি বলেন, এই বাংলাদেশকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ করবো। আওয়ামী লীগের হাতেই তা হবে। আওয়ামী লীগই পারবে, আওয়ামী লীগই পারবে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ। ২০৪১ সালের মধ্যে হবে দক্ষিণ এশিয়ার উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ। ২০২০ সাল আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওই বছর আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করবো ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে।
আওয়ামী লীগের ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে ২৩ জুন, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের পুরোনো কার্যালয়ের জায়গায় দলের নতু কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। তবে রোজার মাস ও জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত পরিসরের।
এ সময় দেশের প্রাচীনতম ও ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগের গৌরজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাসের সঙ্গে বাংলাদেশের ইতিহাস জড়িত। জাতি হিসেবে আমরা বিশ্বে আত্মপরিচয়ের সুযোগ পেয়েছি। এই সুযোগ এনে দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এদেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। বাংলকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে, দেশের শাসনতন্ত্র দিয়েছে। এদেশের যা কিছু অর্জন আওয়ামী লীগই এনে দিয়েছে। এই সংগঠনই বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পথ দেখাচ্ছে। ইনশাল্লাহ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ একে অপরের পরিপূরক।
দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এই কার্যালয় আমরা ভালোভাবে গড়ে তুলবো। কেননা আওয়ামী লীগ একটি প্রতিষ্ঠান। এই আওয়ামী লীগই বাংলাদেশকে পথ দেখাচ্ছে। এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকে।




























