বৃহস্পতিবার ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

তিন ছাত্রলীগ কর্মীর ফাঁদে যেভাবে ধরা পড়লেন ইকবাল

আকাশবার্তা ডেস্ক :

কুমিল্লার নানুয়ার দিঘীর পাড় দুর্গাপূজা মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরীফ রেখে আসার ঘটনায় অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনকে ধরিয়ে দিলেন কক্সবাজারের ঘুরতে যাওয়া তিন তরুণ। যারা নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী সরকারি এস এ কলেজের ছাত্রলীগ কর্মী। তারা হলেন- অনিক রহমান, মেহেদী হাসান মিশু, সাইফুল ইসলাম সাইফ। এদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম সাইফ কক্সবাজারে চাকরি করেন। ১০ বছর যাবত কোন কমিটি না থাকায়, তারা নিজেদের ছাত্রলীগের সিনিয়র কর্মী হিসেবে দাবি করেন। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান আরমান আলোচিত অনিক রহমান, মেহেদী হাসান মিশু ও সাইফুল ইসলাম সাইফকে ছাত্রলীগের কর্মী বলে নিশ্চিত করেন।

চৌমুহনী সরকারি এস এ কলেজের ব্যবস্থাপনা বিষয়ের মাস্টার্স এর ছাত্র এবং ছাত্রলীগ কর্মী অনিক রহমান জানান, ১৯ অক্টোবর সোমবার রাতে তার বন্ধু মেহেদি হাসান মিশু তাদের ঢাকার তিন ব্যবসায়ী বন্ধু রায়হান, মামুন ও হৃদয়সহ পাঁচ বন্ধু কক্সবাজার বেড়াতে যায়। ২০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে থাকা তাদের আরেক বন্ধু সাইফুল ইসলাম সাইফ তাদের সাথে যোগ দেয়। এরপর বিকাল ৪টায় দরিয়ানগরে ঘুরতে বের হয়। সেখানে তারা ছয় বন্ধু মিলে সময় কাটাতে গান গাওয়ার সময় ইকবাল ও তাদের সঙ্গে সুর মেলাতে থাকে। এরপর ওই রাতে টেলিভিশনে এবং ফেসবুকে ইকবালের ছবি দেখে তাদের সন্দেহ হয়।

হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স এর ছাত্র এবং ছাত্রলীগ কর্মী মেহেদী হাসান মিশু বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে তারা সুগন্ধা পয়েন্টে গেলে ইকবালের সঙ্গে তাদের আবার দেখা হয়। তখন আমরা তার সাথে সখ্যতা গড়ে তুলি। এক পর্যায়ে ইকবাল পালিয়ে যেতে চাইলে, তাকে নাস্তা ও সিগারেট খাইয়ে কৌশলে আটকে রাখি। এ সময় তার নাম জানতে চাইলে তিনি ইকবাল বলে জানায়। তখন তারা কৌশলে তার ছবি তুলে মোবাইলে নোয়াখালীর এএসপির সঙ্গে কথা বলে তার ছবি পাঠাই। তিনি আমাদের কুমিল্লার পুলিশ সুপারের মোবাইল নম্বর দেন। এরপর, কুমিল্লার পুলিশ সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ছবি পাঠালে, তিনি কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশ এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

এর আগে, কুমিল্লার পূজা মণ্ডপে পবিত্র কুরআন শরীফ রাখার ঘটনায় ১৬ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের একটি সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ গণমাধ্যমের কাছে সরবরাহ করা হয়। সেখানে দেখা যায়, অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন মসজিদ থেকে কীভাবে পবিত্র কুরআন শরিফ নিয়ে বের হয়ে পূজামণ্ডপের দিকে যান এবং মণ্ডপ থেকে হনুমানের গদা হাতে নিয়ে ফেরেন।

সূত্র : ভোরের কাগজ।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১