শনিবার ২৫শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১২ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

তিন ছাত্রলীগ কর্মীর ফাঁদে যেভাবে ধরা পড়লেন ইকবাল

আকাশবার্তা ডেস্ক :

কুমিল্লার নানুয়ার দিঘীর পাড় দুর্গাপূজা মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরীফ রেখে আসার ঘটনায় অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনকে ধরিয়ে দিলেন কক্সবাজারের ঘুরতে যাওয়া তিন তরুণ। যারা নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী সরকারি এস এ কলেজের ছাত্রলীগ কর্মী। তারা হলেন- অনিক রহমান, মেহেদী হাসান মিশু, সাইফুল ইসলাম সাইফ। এদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম সাইফ কক্সবাজারে চাকরি করেন। ১০ বছর যাবত কোন কমিটি না থাকায়, তারা নিজেদের ছাত্রলীগের সিনিয়র কর্মী হিসেবে দাবি করেন। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান আরমান আলোচিত অনিক রহমান, মেহেদী হাসান মিশু ও সাইফুল ইসলাম সাইফকে ছাত্রলীগের কর্মী বলে নিশ্চিত করেন।

চৌমুহনী সরকারি এস এ কলেজের ব্যবস্থাপনা বিষয়ের মাস্টার্স এর ছাত্র এবং ছাত্রলীগ কর্মী অনিক রহমান জানান, ১৯ অক্টোবর সোমবার রাতে তার বন্ধু মেহেদি হাসান মিশু তাদের ঢাকার তিন ব্যবসায়ী বন্ধু রায়হান, মামুন ও হৃদয়সহ পাঁচ বন্ধু কক্সবাজার বেড়াতে যায়। ২০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে থাকা তাদের আরেক বন্ধু সাইফুল ইসলাম সাইফ তাদের সাথে যোগ দেয়। এরপর বিকাল ৪টায় দরিয়ানগরে ঘুরতে বের হয়। সেখানে তারা ছয় বন্ধু মিলে সময় কাটাতে গান গাওয়ার সময় ইকবাল ও তাদের সঙ্গে সুর মেলাতে থাকে। এরপর ওই রাতে টেলিভিশনে এবং ফেসবুকে ইকবালের ছবি দেখে তাদের সন্দেহ হয়।

হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স এর ছাত্র এবং ছাত্রলীগ কর্মী মেহেদী হাসান মিশু বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে তারা সুগন্ধা পয়েন্টে গেলে ইকবালের সঙ্গে তাদের আবার দেখা হয়। তখন আমরা তার সাথে সখ্যতা গড়ে তুলি। এক পর্যায়ে ইকবাল পালিয়ে যেতে চাইলে, তাকে নাস্তা ও সিগারেট খাইয়ে কৌশলে আটকে রাখি। এ সময় তার নাম জানতে চাইলে তিনি ইকবাল বলে জানায়। তখন তারা কৌশলে তার ছবি তুলে মোবাইলে নোয়াখালীর এএসপির সঙ্গে কথা বলে তার ছবি পাঠাই। তিনি আমাদের কুমিল্লার পুলিশ সুপারের মোবাইল নম্বর দেন। এরপর, কুমিল্লার পুলিশ সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ছবি পাঠালে, তিনি কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশ এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

এর আগে, কুমিল্লার পূজা মণ্ডপে পবিত্র কুরআন শরীফ রাখার ঘটনায় ১৬ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের একটি সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ গণমাধ্যমের কাছে সরবরাহ করা হয়। সেখানে দেখা যায়, অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন মসজিদ থেকে কীভাবে পবিত্র কুরআন শরিফ নিয়ে বের হয়ে পূজামণ্ডপের দিকে যান এবং মণ্ডপ থেকে হনুমানের গদা হাতে নিয়ে ফেরেন।

সূত্র : ভোরের কাগজ।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০