আকাশবার্তা ডেস্ক :
দেশের বাইরে থেকে পরিচালিত করাপশন ইন মিডিয়া পেজে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্পর্কে অপপ্রচার বন্ধে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।
এ বিষয়ে জারি করা রুলে দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদককে নিয়ে সমপ্রতি প্রচার করা মানহানিকর ভিডিও সাত দিনের মধ্যে অপসারণে বিটিআরসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন-ব্যারিস্টার নিগার সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আজাদ।
আইনজীবী নিগার সুলতানা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক কাজী এরতেজা হাসানের নামে মিথ্যা তথ্য দিয়ে করাপশন ইন মিডিয়া নিউজ করেছে। লন্ডন থেকে সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর এটি করেছেন বলে জেনেছি। তার কার্যকলাপ বন্ধে আমরা হাইকোর্টে আবেদন করি। আদালত শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছে। একই সঙ্গে বিটিআরসিতে দেয়া এ বিষয়ের আবেদনটি সাত দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলেছে।’
রুলের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্যসচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট নয়জনকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জাওয়াদ নির্ঝর নামের ওই সাংবাদিক লন্ডনে বসে দেশের স্বনামধন্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে ‘করাপশন ইন মিডিয়া’ নামে, পেজ খুলে মিথ্যা-বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে মানহানি করছে। স্বনামধন্য শিল্পপতি থেকে শুরু করে এমপি-মন্ত্রী, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়েও কুরুচিপূর্ণ তকথ্য উপস্থাপন করেই যাচ্ছে একের পর এক।
অপপ্রচারেই ক্ষান্ত নয় একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল থেকে চাকরিচ্যূত দেশ ছেড়ে লন্ডনে পালিয়ে বেড়ানো এই সাংবাদিক। যাদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে তাদের কাছেই দাবি করছে মোটা অংকের অর্থ। চাঁদা পেলেই বন্ধ হচ্ছে অপপ্রচার, না পেলে দেয়া হচ্ছে চালিয়ে যাওয়ার হুমকি।