রবিবার ১লা মার্চ, ২০২৬ ইং ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিখোঁজের ৭দিন পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চিতা’ গ্রেপ্তার

মেঘনার তীর রক্ষা বাঁধে নিম্মমানের বালু দিয়ে জিও ব্যাগ ডাম্পিং, ফের ধসের আশঙ্কা!

নিজস্ব প্রতিবেদক :

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনার ভাঙন রোধে উপজেলার মাতাব্বরনগরে নদী তীর রক্ষা বাঁধের নির্মাণ কাজ চলছে। নির্ধারিত এক কিলোমিটার বাঁধের ইতোমধ্যে ৮৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। নদীতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং না করায় সম্প্রতি ওই বাঁধের ২০০ মিটার ধসে গেছে। ফের সংস্কার শুরু হলেও নিম্মমানের বালু দিয়ে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করার অভিযোগ উে ঠছে। কাজে যথাযথ বালু ব্যবহার না করায় ফের ওই বাঁধ ধসের আশংকা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা মনে করছেন, একই সাথে বরাদ্দকৃত টাকায় পার্শ্ববর্তী রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডারে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সাড়ে তিন কিলোমিটার কাজ শেষ হয়েছে। সেনাবাহিনী যথাযথভাবে কাজ করায় রামগতি উপজেলা সদর ভাঙন থেকে রক্ষা পায়। কিন্তু জনগণের দাবি থাকলেও কমলনগরের বাঁধের কাজ সেনাবাহিনীকে দিয়ে করানো হয়নি। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হচ্ছে; যে কারণে যত অনিময়।

নদী ভাঙন কবলিত এলাকার লোকজনের অভিযোগ, শুরু থেকে নির্মাণ কাজে বিলম্ব করা হয়েছে। এতে বহু পরিবার ভাঙনের শিকার হয়েছে। ভেঙে গেছে সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, হাটবাজার ও ফসলি জমি। বিলম্বে কাজ শুরু করা হলেও কারণে-অকারণে দফায়-দফায় কাজ বন্ধ রাখা হয়। বার-বার নিম্মমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা; তারপারেও যথাযথভাবে কাজ হচ্ছেনা।

জানা গেছে, তীর রক্ষা বাঁধের ব্লক প্লেসিংয়ের আগে নদীতে জিও ব্যাগে বালু ভরে নদীতে নিক্ষেপ (ডাম্পিং) করার কথা। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং না করেই বাঁধ নির্মাণ করে। এতে করে বাঁধ নির্মাণের তিন সপ্তাহের মাথায় ধস নামে। ফের সংস্কার শুরু করলেও তা হচ্ছে নিন্মমানের বালু দিয়ে।

অভিযোগ রয়েছে নির্ধারিত ১০০ থেকে ১২০ এফএম বালু দিয়ে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করার কথা থাকলেও; কম মূল্যের ৫০ থেকে ৬০ এফএম বালু দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এতে প্রাথমিকভাবে বাঁধ রক্ষা হলে ঢেউ ও জোয়ারের আঘাতে আঘাতে ওই চিকন বালু ব্যাগ থেকে দ্রুত বেরিয়ে যাবে। তখন ফের বাঁধে ধস নেমে আসবে।

সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে জানা গেছে, কমলনগরে এক কিলোমিটার বাঁধের জন্য ২৫০ কেজি বালু ভর্তি ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৩৭টি জিও ব্যাগ এবং ১৭৫ কেজির ১ লাখ ২২ হাজার ২৬৩ জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হবে। একই বাঁধে ২ লাখ ৮২ হাজার ৫৬১ টি ব্লক ডাম্পিং এবং প্লেসিং করা হবে। তীর রক্ষা বাঁধ থেকে নদীর ভেতরে সাড়ে ৪ মিটার ব্লক ডাম্পিং এরপর ৪৫ মিটার জিও ব্যাগ ডাম্পিং করার কথা রয়েছে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এজিএম মাসুদ রানা বলেন, তীর রক্ষা বাঁধের প্রায় ৮৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে বালু প্রাপ্তিতে সমস্যা হচ্ছে। তাবুও যথাযথ বালু দিয়ে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে।

লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী গাজী ইয়ার আলী বলেন, একাধিকবার নিন্মমানের বালু ও জিও ব্যাগ ফেরত পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ডাম্পিংয়ে ৯০ এফএম এর বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে আশা করি বাঁধের কোন সমস্যা হবে না।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১