বৃহস্পতিবার ১২ই মার্চ, ২০২৬ ইং ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রজমানে পণ্যের দামে আগুন!

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক : 

প্রতি বছর রমজান এলেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়ে।তবে এবার রজমান আসার আগে থেকেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশচুম্বী।আর রমজান মাস যেন আরও বহুগুন বাড়িয়ে দিয়েছে বাজারের সকল পণ্যের দাম।ইফতার সামগ্রী তৈরির কাঁচামালের দামে তো হাত দেয়াই মুশকিল।বিশেষ করে বেগুন, লেবু আর শসার চড়া দামে নাকাল মানুষ।শুধু বেগুন, শসার দামই নয় রোজার জন্য অতি প্রয়োজনীয় সবজিগুলোর দাম বেড়েছে, বাড়ছে লাফিয়ে।সয়াবিন তেল, ডাল, ছোলা, বেসনসহ ইফতার তৈরির পণ্য আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। মাছ-মাংসের বাজারও বেশ চড়া।

সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচা বাজারগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, যেকোনে জাতের বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা করে।৩০ টাকা দামের শসাও বিক্রি হচ্ছে ৮০টাকা করে।  একদিনের মধ্যেই এসব সবজির দাম ২০ থেকে ৫০টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।অন্যদিকে ছোলা, চিড়ার দাম মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও চিনির দাম একটু বেড়েছে। তবে পেঁয়াজের মূল্য কেজি প্রতি ৪-৫ টাকা কমেছে।

কাঁচাবাজারগুলোতে দেখা যায়, লেবু হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০, টমেটো ৪০, করলা-৮০, শসা-৮০, বেগুন-৮০, ফুলকপি-৫০, শিম-৬০, মরিচ-২০০, পুদিনা-১৬০, মরিচ-১২০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আলু-২৫, পেঁয়াজ -৪০, রসুন, আদা-১২০, মিনিকেট কেজি প্রতি বেড়েছে ৫-১০ টাকা।তবে একেক দোকানে একেক দামে বিক্রি হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দ্রব্য।রাস্তার দোকানগুলোতে আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা। কিন্তু বাজারের ভেতরে ডুকলেই ৫টাকা বেড়ে দাম দাড়িঁয়ে যায় ২৫ টাকা।

এছাড়া কিছু কিছু শাকের দাম বেড়েছে এবং কিছু দাম রয়েছে আগের মতো।ডাটা শাক-মোঠা প্রতি ২৫, পুইশাক-২৫, লাল শাক-২০, পাট শাক-১৫টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচা সবজির সাথে বেড়েছে মাছ মাংসের দামও, শিং মাছ৪০০-৫০০ টাকা কেজি, তেলাপিয়া ১৮০-২০০টাকা, ইলিশ ১৩০০-১৫০০।গরুর মাংস কেজি প্রতি ৬৮০-৭০০টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে-১৮০ টাকা কেজি। মুরগীর ডিম সাদা ডজন প্রতি ২০ টাকা বেড়ে দাড়িঁয়েছে ১১০, লাল ডিম ১০ টাকা বেড়ে ১১৫ টাকা হয়েছে।

ফকিরাপুল কাঁচা বাজারে সবজি কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, আমরা ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। ৪০ টাকার সবজি কিনতে হচ্ছে ৮০ টাকা করে।৫টাকা দামের লেবু কিনতে হয়েছে ১০টাকা দিয়ে।বেগুনের দাম তো ১০০টাকা গিয়ে দাড়িঁয়েছে। আমরা আর কুলাতে পারছি না।এভাবে আর কত দিন বাচঁতে পারবো?

আরেক ক্রেতা বলেন, শসার দাম এক সপ্তাহ আগেও ছিলো ৪০ টাকা এখন তার দাম ৮০ টাকা। ইফতার বানানোর পণ্যগুলোর দামই একদিনে বেড়ে গেছে ডাবল।এগুলো দেখার কি কেউ নেই।

রাজধানীর ফকিরাপুল বাজারের দোকানিদের সাথে কথা হয়।এক বিক্রেতা বলেন, আমদানি কমে গেলে সেই জিনিসের দাম একটু বাড়ে। আর রোজার মাসে তো বাড়বে এটাই এখন স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।চাহিদা বেশি, কিন্তু মালামাল আসতেছে কম। তাই দাম একটু বেশি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১