শনিবার ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

পাকিস্তানে সংসদে এমপিদের স্লোগান : ‘আমেরিকা ধ্বংস হোক, নিপাত যাক’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো দেশটির সংসদ সদস্যরা আমেরিকার ধ্বংস কামনা করে স্লোগান দিয়েছেন। 

রোববার (৩ এপ্রিল) পাকিস্তানের সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটির আগ মুহূর্তে সংসদ সদস্যরা ওই স্লোগান দেন। পাকিস্তান সবসময় আমেরিকার মিত্র দেশ হিসেবে পরিচিত।

অবশ্য পরে পাক সংসদের ডেপুটি স্পিকার কাসিম খান সুরি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব বাতিল করে দেন। তিনি বলেন, বিদেশি মদদপুষ্ট এই অনাস্থা প্রস্তাব সংবিধানের পঞ্চম অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

পাকিস্তান সংবিধানের পঞ্চম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে “ “প্রতিটি নাগরিকের দেশের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করা মৌলিক দায়িত্ব”।

কাসিম খান বলেন, “এই অনাস্থা প্রস্তাব গত ৮ মার্চ তোলা হয়েছে যা আইন ও সংবিধান অনুযায়ী হতে হবে। কোনো বিদেশি শক্তিকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার উৎখাতের সুযোগ দেয়া হবে না।”

জাতীয় সংসদে অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ হয়ে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভীকে জাতীয় সংসদ ভেঙে দেয়ার পরামর্শ দেন এবং তার কিছুক্ষণের মধ্যেই পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ ভেঙে দেয়া হয়। এ প্রেক্ষাপটে সেখানে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে বিরোধীরা বিষয়টি নিয়ে এরইমধ্যে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। সে ক্ষেত্রে এখন আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য দেশটির রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে অপেক্ষা করতে হবে।

ইমরান খানের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ হচ্ছে- তার সরকার দেশের অর্থনীতি ভালোভাবে সামাল দিতে পারে নি এবং ২০১৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভুল পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে। দেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলার জন্য ইমরান খান আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল বা আইএমএফের কাছে ৬০০ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছে কিন্তু  আমেরিকা সে উদ্যোগে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০