শনিবার ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

গার্ডার দুর্ঘটনায় ১২ কারণ চিহ্নিত

আকাশবার্তা ডেস্ক :

ঢাকা বিআরটি প্রকল্পের গার্ডার দুর্ঘটনার ১২ কারণ চিহ্নিত করেছে তদন্ত কমিটি। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।

রোববার (০৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে বিআরটি প্রকল্পের গার্ডার দুর্ঘটনার তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

সচিব বলেন, নথিপত্র পর্যালোচনা এবং এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য নিয়ে দুর্ঘটনার জন্য ১২ কারণ চিহ্নিত করেছে তদন্ত কমিটি।

১. পূর্বানুমতি ছাড়া জাতীয় শোক দিবসে সরকারি ছুটির দিনে কাজ করা হয়েছিল। ওই দিন কাজ করার অনুমতি ছিল না।

২. প্রথমবারের মতো দিনের বেলায় গার্ডার স্থানান্তর করা হয়। দিনের বেলায় সেদিনই প্রথম কাজ করে। অথচ দিনের বেলা কাজ করার অনুমতি নেই। রাত ৮টার পর কাজ শুরুর কথা।

৩. ক্রেনটি সহকারী অপারেটর/হেলপার চালাচ্ছিলেন।

৪. লাইসেন্স না থাক।

৫. দুর্ঘটনার সময় ক্রেনের জায়গা ছিল অসমতল।

৬. ক্রেনটির ডিজিটাল মনিটর ছিল না। ডিজিটাল মনিটর থাকলে স্ক্রিনে দেখা যেত।

৭. কাজের পূর্বানুমতি ছিল না।

৮. সুনির্দিষ্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা ছিল না। ভারী কাজ করার সময় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট কাজে কেউ ছিল না।

৯. ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট কর্মীদের যোগ্যতা না থাকা।

১০. যারা কাজ করতে এসেছিলেন তাদের সেফটি ইঞ্জিনিয়ার যোগ্যতা না থাকা।

১১. জরুরি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ছিল না।

১২. ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের নিয়োগ অনুমোদিত ছিল না।

সংবাদ সম্মেলনে আমিন উল্লাহ নুরী আরও বলেন, ওই দিনের দুর্ঘটনার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিজিজিসি দায়ী। তাদের অবহেলার কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইপিসিএম ২০২২ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ৩৪টি চিঠি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পাঠায় জানিয়ে সচিব বলেন, শুধু চিঠি পাঠানো নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য যথেষ্ট ছিল না। নিরাপত্তার জন্য প্রকল্প এলাকায় পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত পরিদর্শন ও তদারকি রাখা প্রয়োজন ছিল।

কী ধরনের শাস্তি হতে পারে জানতে চাইলে সচিব বলেন, তদন্ত কমিটি নির্দিষ্ট করে শাস্তির সুপারিশ করে না। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী তাদের শাস্তি হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘নো সেফটি নো ওয়ার্ক’- এই নীতিতে আমরা এগোচ্ছি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০